বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ভারতের সুদের হার বাড়ানো এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপে বড় দরপতন হয়েছে দেশটির শেয়ারবাজারে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) লেনদেন শেষে সেনসেক্স ১ হাজার ৪৫ পয়েন্ট এবং নিফটি ৩৭১ পয়েন্ট কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

দিন শেষে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ৭১ হাজার ৫৯৩ দশমিক ২৪ পয়েন্টে। সূচকটি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) নিফটি ৫০ কমে ...

বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, ভারতের সুদের হার বাড়ানো এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপে বড় দরপতন হয়েছে দেশটির শেয়ারবাজারে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) লেনদেন শেষে সেনসেক্স ১ হাজার ৪৫ পয়েন্ট এবং নিফটি ৩৭১ পয়েন্ট কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

দিন শেষে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) প্রধান সূচক সেনসেক্স নেমে দাঁড়ায় ৭১ হাজার ৫৯৩ দশমিক ২৪ পয়েন্টে। সূচকটি কমেছে ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) নিফটি ৫০ কমে দাঁড়ায় ২২ হাজার ২৩১ দশমিক ৮০ পয়েন্টে। সূচকটির পতন ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। নিফটি মিডক্যাপ ১০০ ও স্মলক্যাপ ১০০ সূচকও প্রায় ১ শতাংশ কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দরপতনের অন্যতম কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাবে বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলারে পৌঁছায়। তেলের দাম বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রিও বাজারে চাপ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতীয় বাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবারও তাঁদের বিক্রির চাপে সূচকের পতন আরও গভীর হয়েছে।

দরপতনের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিসুদ বা রেপো রেট বৃদ্ধি। বুধবার (৭ অক্টোবর) রেপো রেট ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়। এতে ঋণের সুদ ও কিস্তি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক ও ডাকঘরের আমানতে সুদ বাড়লে শেয়ারবাজারের বদলে এসব খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হতে পারেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

বৃহস্পতিবার বড় দরপতন হয়েছে আদানি গোষ্ঠীর কয়েকটি শেয়ারেও। নিফটি ৫০ সূচকে আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ার কমেছে ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, সুদের হার বাড়ানো এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ ভারতের শেয়ারবাজারকে বড় পতনের মুখে ফেলেছে।