রিং সাইনের দুই বিভাগ ১৫ দিন বন্ধ হচ্ছে
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি রিং সাইন টেক্সটাইলসের ফেব্রিক ও হ্যাং ডাইং বিভাগের উৎপাদন কার্যক্রম ১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা, পণ্যের গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।
গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি রিং সাইন টেক্সটাইলসের ফেব্রিক ও হ্যাং ডাইং বিভাগের উৎপাদন কার্যক্রম ১৫ দিনের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা, পণ্যের গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।
গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
কোম্পানির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন, ২০১৯ এবং বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা, ২০২২ অনুসারে প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্ল্যান্ট ও কারখানার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়া, উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ এবং উৎপাদন সক্ষমতা উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হলে কিংবা কারখানার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন ঘটলে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে দ্রুত জানানো হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। তবে এ সিদ্ধান্ত শুধু ফেব্রিক ও হ্যাং ডাইং বিভাগের জন্য প্রযোজ্য। কোম্পানির অন্য বিভাগের কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
২০১৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রিং সাইন টেক্সটাইলস বর্তমানে ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানি। এর পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার ৫০ কোটি ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪৩টি।
২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৩৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৬০ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
