জিডিপিতে বিশ্বের ৩৬তম বৃহৎ অর্থনীতি বাংলাদেশ
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারে বিশ্বের ৩৬তম বৃহৎ অর্থনীতি বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়াতে পারে ৫০৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এতে বিশ্বের ১২৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের মাঝখানে।
আইএমএফের অক্টোবর ২০২৬-এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (ডব্লিউইও) পূর্বাভাসের ভিত্তিতে প্রকাশিত বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
অর্থনীতির আকারে বাংলাদেশের ঠিক ওপরে রয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটির জিডিপি ২০২৬ সালে ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারে বিশ্বের ৩৬তম বৃহৎ অর্থনীতি বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার দাঁড়াতে পারে ৫০৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এতে বিশ্বের ১২৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের মাঝখানে।
আইএমএফের অক্টোবর ২০২৬-এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের (ডব্লিউইও) পূর্বাভাসের ভিত্তিতে প্রকাশিত বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
অর্থনীতির আকারে বাংলাদেশের ঠিক ওপরে রয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটির জিডিপি ২০২৬ সালে ৫৪২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। আর বাংলাদেশের ঠিক নিচে থাকা ফিলিপাইনের অর্থনীতির আকার দাঁড়াতে পারে ৫০১ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, বাংলাদেশের অর্থনীতি এ দুই দেশের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতির বড় অংশ কয়েকটি দেশের দখলে
বিশ্ব অর্থনীতির আকার চলতি বছরের শেষে ১২৮ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। ২০২৩ সালের তুলনায় তা প্রায় ২০ ট্রিলিয়ন ডলার বেশি। তবে বিশ্ব অর্থনীতির বড় অংশই কয়েকটি দেশের হাতে কেন্দ্রীভূত।
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি ২০২৬ সালে ৩২ দশমিক ৬৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের অর্থনীতির আকার হতে পারে ২১ দশমিক ৫৫ ট্রিলিয়ন ডলার। দেশ দুটির সম্মিলিত অর্থনীতি বিশ্বের মোট জিডিপির ৪২ শতাংশের বেশি।
তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানির জিডিপির তুলনায় চীনের অর্থনীতি চার গুণের বেশি বড়। আবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আকার জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভারত ও ফ্রান্সের সম্মিলিত অর্থনীতির চেয়েও বেশি।
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অনেক পেছনে বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনীতির আকারে ভারতের অবস্থান ষষ্ঠ। ২০২৬ সালে দেশটির জিডিপি ৪ দশমিক ০৬ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে। সে হিসাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ভারতের প্রায় আট ভাগের এক ভাগ।
অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থান ৪২তম। দেশটির অর্থনীতির আকার ২০২৬ সালে ৪৫০ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। ফলে অর্থনীতির আকারে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারত, আর পাকিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের পেছনে।
শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকায় এশিয়ার তিন দেশ
বিশ্বের শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানির পর রয়েছে জাপান, যুক্তরাজ্য, ভারত, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি ও ব্রাজিল।
এশিয়ার অন্যান্য বড় অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। ১ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এবং ২ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। আর ২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে ওশেনিয়া অঞ্চলে সবচেয়ে বড় অর্থনীতি অস্ট্রেলিয়া।
এআই বিনিয়োগে গতি পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগ নতুন গতি তৈরি করছে। এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ায় সার্ভার, সফটওয়্যার, তথ্যকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোর চাহিদা বাড়ছে। প্রযুক্তি খাতের এই বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
