মহেশখালীতে ৬৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পরিকল্পনা
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : মহেশখালীকে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক হাবে গড়ে তুলতে আগামী ৩০ বছরে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনা ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের আয়োজনে সভায় মহেশখালী-মাতারবাড়ী এলাকার চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প, বাস্তবায়নের অগ্রগতি, সম্ভাব্য বাধা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : মহেশখালীকে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক হাবে গড়ে তুলতে আগামী ৩০ বছরে ৬০ থেকে ৬৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনা ও চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনায় আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের আয়োজনে সভায় মহেশখালী-মাতারবাড়ী এলাকার চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্প, বাস্তবায়নের অগ্রগতি, সম্ভাব্য বাধা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রকল্প পরিচালকদেরও সভায় ডাকা হয়েছে।
এ এলাকায় মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন, ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল-৩-এর গ্যাস ও যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
মহেশখালীকে শিল্প ও বাণিজ্যিক অঞ্চলে রূপ দিতে গঠিত হয়েছে মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মিডা)। কর্তৃপক্ষের জন্য আইন করা হয়েছে এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সহায়তায় মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।
পরিকল্পনায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি ও এলপিজি টার্মিনাল, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেল শোধনাগার এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রবন্দরটি বড় জাহাজের ৮ হাজার টিইইউ পর্যন্ত কনটেইনার পরিচালনায় সক্ষম হবে বলে পরিকল্পনায় উল্লেখ রয়েছে।
বন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণের প্রথম প্যাকেজের কাজ শেষ হয়েছে। ৪৬০ মিটার দীর্ঘ কনটেইনার জেটি ও ৩০০ মিটার দীর্ঘ বহুমুখী জেটি নির্মাণসহ টার্মিনাল, চ্যানেল ও ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। বন্দরকে জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করতে প্রায় ২৭ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৫৫ সালের মধ্যে তিন ধাপে এ অঞ্চলকে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক হাবে রূপ দেওয়া হবে। এর আওতায় গভীর সমুদ্রবন্দর ও লজিস্টিক হাব, সড়ক-রেল যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, ভারী শিল্প এবং মৎস্য প্রক্রিয়াকরণকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
