শেয়ারবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত কৃষিবিদ সিড লিমিটেডের কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারিংয়ের (কিউআইও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য দুই সদস্যের একটি পরিদর্শন কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কমিটিকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। কমিটির সদস্য করা হয়েছে বিএসইসির উপপরিচালক মওদুদ মোমেন ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রুমান হোসেনকে।

পরিদর্শনে কিউআইওর মাধ্যমে ...

শেয়ারবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত কৃষিবিদ সিড লিমিটেডের কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারিংয়ের (কিউআইও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য দুই সদস্যের একটি পরিদর্শন কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। কমিটিকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। কমিটির সদস্য করা হয়েছে বিএসইসির উপপরিচালক মওদুদ মোমেন ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রুমান হোসেনকে।

পরিদর্শনে কিউআইওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা উদ্দেশ্য এবং কমিশনের সম্মতিপত্রের শর্ত অনুযায়ী ব্যয় হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। পাশাপাশি অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে, লেনদেনের মাধ্যমে কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে এবং নির্ধারিত উদ্দেশ্যের বাইরে কোনো অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন কর্মকর্তারা।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, কৃষিবিদ সিডের কিউআইওর অর্থ কোন খাতে এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা যাচাই করা হবে। ব্যয়ের বিপরীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যাংক লেনদেনের তথ্যও পরীক্ষা করা হবে। অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম বা আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদর্শনের আওতায় কোম্পানির আর্থিক বিবরণীও যাচাই করা হবে। কিউআইওর অর্থ ব্যবহারের তথ্য যথাসময়ে ও যথাযথভাবে আর্থিক বিবরণীতে প্রকাশ করা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করবেন কর্মকর্তারা। খুচরা নগদ ব্যয় ছাড়া অন্যান্য লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে কি না, সেটিও দেখা হবে।

এ ছাড়া কোম্পানির ব্যাংক হিসাবের লেনদেন, অর্থের স্থিতি এবং সংগৃহীত অর্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় শনাক্ত করা হবে। অর্থ কোথা থেকে কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে এবং ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে ব্যাংক লেনদেনের তথ্যের মিল রয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করবে কমিটি।

বিএসইসির আদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০-এর বিধি ১৭-এর ক্ষমতাবলে এ পরিদর্শনের কথা বলা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিউআইওর অর্থ ব্যবহারে কোনো অনিয়ম বা আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই এ পরিদর্শনের উদ্দেশ্য।