বল টেম্পারিংয়ে শুধু তিনজন নয়, জানত পুরো দল—আট বছর পর খাজার দাবি
খেলাধুলা ডেস্ক : ২০১৮ সালের কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির ঘটনায় শাস্তি পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তিন ক্রিকেটার। অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ, সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে আট বছর পর সেই ঘটনার দায় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার উসমান খাজা। তাঁর দাবি, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে দলের সবাই জানতেন। অথচ শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে শুধু তিনজনকে।
খাজার এই দাবি ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের ...
খেলাধুলা ডেস্ক : ২০১৮ সালের কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির ঘটনায় শাস্তি পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তিন ক্রিকেটার। অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ, সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে নিষিদ্ধ করেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে আট বছর পর সেই ঘটনার দায় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার উসমান খাজা। তাঁর দাবি, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে দলের সবাই জানতেন। অথচ শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে শুধু তিনজনকে।
খাজার এই দাবি ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের অন্যতম কলঙ্কজনক ঘটনা ‘স্যান্ডপেপারগেট’। তবে তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ওই সময়ের প্রধান কোচ ড্যারেন লেম্যান। তাঁর দাবি, দলের সবাই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না। ফলে আট বছর পরও কেপটাউনের সেই ঘটনার দায় কার কতটুকু, তা নিয়ে বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে।
কেপটাউনে যেভাবে ধরা পড়ে বল বিকৃতি
২০১৮ সালের ২৪ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার তৃতীয় টেস্টে ঘটে আলোচিত বল বিকৃতির ঘটনা। রিভার্স সুইং পাওয়ার উদ্দেশ্যে বলের এক পাশ ঘষে রুক্ষ করতে সিরিশ কাগজ ব্যবহার করেন অস্ট্রেলীয় ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফট। টেলিভিশন ক্যামেরায় তাঁর এই কর্মকাণ্ড ধরা পড়ে। পরে ব্যবহৃত বস্তুটি প্যান্টের ভেতরে লুকানোর চেষ্টাও করেন তিনি।
এর আগে থেকেই চার টেস্টের সিরিজটি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। ডারবানে প্রথম টেস্টে ডেভিড ওয়ার্নার ও দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি ককের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পোর্ট এলিজাবেথে দ্বিতীয় টেস্টেও খেলোয়াড়দের মধ্যে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়। সব মিলিয়ে মাঠের বাইরেও দুই দলের বিরোধ নিয়ে আলোচনা চলছিল।
নিউল্যান্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংসের ৪৩তম ওভারের পর আম্পায়াররা ব্যানক্রফটকে ডেকে তাঁর পকেটে থাকা বস্তু সম্পর্কে জানতে চান। জবাবে তিনি একটি কালো সানগ্লাসের কেস দেখান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁকে একটি হলুদ বস্তু প্যান্টের ভেতরে লুকাতে দেখা যায়।
দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্যানক্রফট ও অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ বলের অবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করার কথা স্বীকার করেন। স্মিথ জানান, মধ্যাহ্নবিরতির সময় দলের নেতৃত্বস্থানীয় কয়েকজন মিলে এ পরিকল্পনা করেছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে তিনি দায়ও স্বীকার করেন। তবে সেই নেতৃত্বস্থানীয় দলে কারা ছিলেন, তা স্পষ্ট করেননি।
তিনজনের শাস্তি, পদত্যাগ করেন কোচ
ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরপরই স্মিথ ও সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নারকে নেতৃত্বের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। টিম পেইনের নেতৃত্বে চতুর্থ দিন মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ৩২২ রানে ম্যাচটি হারে দলটি। পরে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তে বল বিকৃতির পরিকল্পনার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ওয়ার্নারকে। ব্যানক্রফটকে সিরিশ কাগজ ব্যবহারের কৌশলও তিনিই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে আসে। স্মিথ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতেন, কিন্তু তা ঠেকানোর উদ্যোগ নেননি। সংবাদ সম্মেলনেও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি।
তদন্তের পর ওয়ার্নার ও স্মিথকে ১২ মাস করে এবং ব্যানক্রফটকে নয় মাসের জন্য আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি ওয়ার্নারের ওপর অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে আজীবন অধিনায়কত্বের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার কারণে স্মিথ ও ওয়ার্নার আইপিএলেও খেলতে পারেননি। ব্যানক্রফটের কাউন্টি ক্রিকেটের দল সমারসেট তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে। বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে কোচ ড্যারেন লেম্যানের জানার প্রমাণ না মিললেও শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ টেস্টের আগে পদত্যাগের ঘোষণা দেন লেম্যান।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই বিপিএলে স্মিথ-ওয়ার্নার
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ২০১৯ সালে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএলে খেলতে আসেন স্মিথ ও ওয়ার্নার। ওই বছরের ৬ জানুয়ারি মিরপুরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও সিলেট সিক্সার্সের ম্যাচে মুখোমুখি হন দুজন। স্মিথ ছিলেন কুমিল্লার অধিনায়ক, আর ওয়ার্নার সিলেটের।
বল বিকৃতির ঘটনার পর একই ম্যাচে তাঁদের একসঙ্গে মাঠে নামার সেটিই ছিল প্রথম ঘটনা। যদিও চোটের কারণে মাত্র দুই ম্যাচ খেলেই বিপিএল ছাড়েন স্মিথ। অন্যদিকে ওয়ার্নার খেলেন সাতটি ম্যাচ।
আট বছর পর খাজার নতুন অভিযোগ
উসমান খাজার আত্মজীবনী ‘সবর’ প্রকাশের কথা আগামী ১০ নভেম্বর। বইটি প্রকাশের আগে ৭ নভেম্বর নাইন নিউজপেপারসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, কেপটাউনে বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া দলের সবাই জানতেন। তাঁর ভাষায়, ‘ব্যাটসম্যান নয়, বোলার নয়, স্টাফ নয়, আমরা সবাই।’
খাজার প্রশ্ন, পুরো দলের দায়ের বিষয়টি সামনে না এনে কেন শুধু তিনজনকে শাস্তি দেওয়া হলো? তাঁর মতে, এ ঘটনার দায় সবার নেওয়া উচিত ছিল।
খাজা জানান, ঘটনার পর ড্রেসিংরুমে স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটকে তিনি পুরো দলের সম্মিলিতভাবে দায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তা হয়নি। শেষ পর্যন্ত জনসমক্ষে অপমান ও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হয়েছে ওই তিন ক্রিকেটারকেই।
খাজার দাবি মানতে নারাজ লেম্যান
খাজার বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন তৎকালীন কোচ ড্যারেন লেম্যান। এবিসি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর মনে হয় না দলের সবাই বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন। ক্রিকেটে বলের অবস্থা পরিবর্তনের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ২০১৮ সালের ওই পরিকল্পনায় পুরো দল যুক্ত ছিল, এমন দাবি মানতে নারাজ লেম্যান।
খাজার আত্মজীবনী প্রকাশের সময় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। লেম্যানের ভাষ্য, বই তো বিক্রির জন্যই। খাজা অবসরের পর এসব কথা বলছেন এবং বই লেখার জন্য কত টাকা পাচ্ছেন, তা তিনি জানেন না। তবে সম্ভবত বড় অঙ্কের অর্থ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন লেম্যান।
তবে ওই ঘটনার মানসিক চাপের কথাও স্বীকার করেছেন সাবেক এই কোচ। তাঁর দাবি, ঘটনার পর মানসিকভাবে এতটাই বিপর্যস্ত ছিলেন যে চার মাস বাড়ি থেকে বের হননি।
স্মিথের ভূমিকা নিয়েও খাজার বক্তব্য
লেম্যানের বক্তব্যের পর ইনস্টাগ্রামে প্রায় পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা দেন খাজা। সেখানে তিনি বলেন, ২০১৮ সালেই এ বিষয়ে মুখ খুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্মিথ তাঁকে চুপ থাকতে বলেছিলেন। স্মিথ নিজেই পুরো ঘটনার দায় নিতে চেয়েছিলেন বলে দাবি খাজার।
এর আগে ২০২১ সালেও পুরো দলের সম্মিলিত দায় নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছিলেন খাজা। তবে সে সময় অস্ট্রেলিয়ার চার বোলার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়ন যৌথ বিবৃতি দিয়ে জানান, বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানতেন না। বলের অবস্থা পরিবর্তনে মাঠে বাইরের কোনো বস্তু ব্যবহারের বিষয়টিও তাঁদের অজানা ছিল বলে দাবি করেন তাঁরা। এরপর খাজা আর বিষয়টি নিয়ে এগোননি।
অন্যদিকে ২০২১ সালে দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্যানক্রফট বোলারদের জানার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বোলাররা বল বিকৃতির কৌশল সম্পর্কে জানতেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেছিলেন, বিষয়টি তো বোঝাই যায়। তাঁর ওই বক্তব্যের পরই চার বোলার যৌথ বিবৃতি দেন। খাজার সাম্প্রতিক দাবি পুরোনো বিতর্কটিকে আবারও উসকে দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও খাজার বই প্রকাশ নিয়ে আগে মন্তব্য করেছিলেন। রয়টার্সকে তিনি জানিয়েছিলেন, খাজা তাঁকে বই প্রকাশের বিষয়টি জানিয়েছেন। জবাবে তিনি বলেছিলেন, নিজের গল্প বলতে খাজার কোনো সমস্যা নেই। তবে বইয়ের ভেতরে কী লেখা আছে, তা তাঁর জানা ছিল না।
আট বছর পরও অমীমাংসিত দায়ের প্রশ্ন
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফট তিনজনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। স্মিথ এখনো অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য। ওয়ার্নার ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। একই বছর তাঁর ওপর থাকা অধিনায়কত্বের নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করা হয়। পরে বিগ ব্যাশে সিডনি থান্ডারের অধিনায়কত্ব করেন তিনি।
ব্যানক্রফটও জাতীয় দলে ফিরেছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ক্যারিয়ার আর আগের অবস্থানে পৌঁছায়নি। কেপটাউনের ঘটনার পর ২০১৯ অ্যাশেজের প্রথম দুই টেস্টই ছিল তাঁর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
ওই ঘটনার পর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। খেলোয়াড়দের আচরণ, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ এবং জয়ের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরির সংস্কৃতি পর্যালোচনা করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তবে বল বিকৃতির পরিকল্পনা সম্পর্কে দলের ঠিক কতজন জানতেন, সেই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর আজও পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও ফিরেছে পুরোনো বিতর্ক
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সফরও আট বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ২০১৮ সালের পর প্রথমবার দেশটিতে টেস্ট খেলতে যায় অস্ট্রেলিয়া। তিন টেস্টের সিরিজের প্রথমটিতে ডারবানে ২১৪ রানে জিতলেও পরের দুই ম্যাচে ইনিংস ও ৩১ রান এবং ১৭৬ রানে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ায় দলটি।
সফরের আগে ২০১৮ সালের বল বিকৃতির ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবার প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার সম্প্রচারমাধ্যম সুপারস্পোর্ট। সঙ্গে তাদের বার্তা ছিল, ‘আমাদের ক্যামেরা এবারও ধারালো থাকবে।’
এবারের সফরে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন সেই সময়ের চার বোলার কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউড ও লায়ন। স্মিথও ছিলেন দলে। অর্থাৎ আট বছর পেরিয়ে গেলেও ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা বিতর্কে নাম আসা অনেক ক্রিকেটারই অস্ট্রেলীয় দলের অংশ রয়েছেন।
সফর শেষ হওয়ার পরই খাজার আত্মজীবনী ও তাঁর নতুন বক্তব্য ঘিরে পুরোনো ঘটনা আবার আলোচনায় এসেছে। ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে খাজা বলেছেন, শৈশবের বন্ধু ডেভিড ওয়ার্নারের কাছে সত্য বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি, যাতে ওয়ার্নারও নিজের গল্প বলতে পারেন।
সব মিলিয়ে কেপটাউনের সেই বল বিকৃতির ঘটনা আট বছর পরও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের পিছু ছাড়েনি। তিন ক্রিকেটারের শাস্তি হলেও পুরো দল কতটা জানত, কারা পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন এবং কেন সম্মিলিত দায় নেওয়া হয়নি—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অমীমাংসিত। খাজার নতুন বক্তব্যে সেই বিতর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হলো।
