নির্বাচনের আগেই মাকসুদ কমিশনের অপসারণ চায় বিনিয়োগকারীরা
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রতিনিয়ত ধংস করে চলেছে। তার হাত ধরে শেয়ারবাজার অতল গহ্বরের দিকে ধাবিত রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যার বিদায় নিশ্চিত মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। তবে তার আগেই মাকসুদের নেতৃত্বাধীন পুরো কমিশনের অপসারণ চান বিনিয়োগকারীরা।
এই কমিশনের অপসারণের মাধ্যমে যে শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে, তা কয়েক দফায় প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার অপসারন হচ্ছে বলে শেয়ারবাজারে কয়েকবার গুজব ...
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রতিনিয়ত ধংস করে চলেছে। তার হাত ধরে শেয়ারবাজার অতল গহ্বরের দিকে ধাবিত রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যার বিদায় নিশ্চিত মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। তবে তার আগেই মাকসুদের নেতৃত্বাধীন পুরো কমিশনের অপসারণ চান বিনিয়োগকারীরা।
এই কমিশনের অপসারণের মাধ্যমে যে শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে, তা কয়েক দফায় প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার অপসারন হচ্ছে বলে শেয়ারবাজারে কয়েকবার গুজব উঠে। যার উপর ভিত্তি করে প্রতিবারই বিনিয়োগকারীরা আশাবাদি হয়ে উঠেছিল এবং শেয়ারবাজার ইতিবাচক হয়েছিল। কিন্তু তার অপসারন বাস্তবে রুপ না পাওয়ায়, শেয়ারবাজার আবারও পতনের ধারায় ফিরে গেছে।
এই মাকসুদ কমিশন গত ১৫ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।
মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯৬৩ পয়েন্টে। যা আগেরদিন বেড়েছিল ৩৪ পয়েন্ট।
তবে এর আগের ৩ কার্যদিবসের টানা পতনের মধ্যে রবিবার ১৪ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার ৪১ পয়েন্ট ও বুধবার ২৩ পয়েন্ট কমেছিল।
আজ ডিএসইতে ৪৫৮ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন হয়েছিল ৩৬৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা বা ২৬ শতাংশ।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮৯ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ৩১৭ টি বা ৮১.৪৯ শতাংশের। আর দর কমেছে ৩৫ টি বা ৯.০০ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৩৭ টি বা ৯.৫১ শতাংশের।
অপরদিকে সিএসইতে মঙ্গলবার ১৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৬৬ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ১১৭ টির, কমেছে ২৯ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২০ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৭৯৯ পয়েন্টে।
আগেরদিন সিএসইতে ১৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট বেড়েছিল।
