অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অবশেষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যে খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ে আশার সঞ্চার তৈরী হয়েছে। যাতে বুধবার (২২ এপ্রিল) শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে।

জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে তাকে এ পদ থেকে সরানোর আগে কমিশন আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হবে। ...

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অবশেষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যে খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ে আশার সঞ্চার তৈরী হয়েছে। যাতে বুধবার (২২ এপ্রিল) শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে।

জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে তাকে এ পদ থেকে সরানোর আগে কমিশন আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হবে। এরইমধ্যে আইন পরিবর্তনের কার্যক্রম শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত ১৮ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।

শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন মাকসুদ শেয়ারবাজার বুঝেন না। এটা শুধু সাধারন বিনিয়োগকারীদের কথা না। এই কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদের অপসারন করা উচিত।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২৯৯ পয়েন্টে। যা আগেরদিন বেড়েছিল ২৫ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে ১ হাজার ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন হয়েছিল ৯২৯ কোটি ২৯ লাখ টাকার। এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ১২৭ কোটি ৭ লাখ টাকার বা ১৪ শতাংশ।

আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯১ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ২১৩ টি বা ৫৪.৪৮ শতাংশের। আর দর কমেছে ১২১ টি বা ৩০.৯৫ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৫৭ টি বা ১৪.৫৮ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে বুধবার ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩০ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ১১০ টির, কমেছে ৯১ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ২৯ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৭৯৭ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ৩৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ১২ পয়েন্ট বেড়েছিল।