উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুন, ফিরেছে মুনাফায়
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অগ্নীকাণ্ডে কারখানা পুড়ে ছাঁই হয়ে যাওয়া এবং ধারাবাহিক লোকসানের কারণে পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত ফার গ্রুপের দুই কোম্পানির ভবিষৎ সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অগ্নীকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির কারণে আরএন স্পিনিং মিলসের উৎপাদন থেকে শুরু করে সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। আরেক কোম্পানি ফার কেমিক্যাল এন্ড টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজও দীর্ঘবছর ধরে লোকসান গুনছিল। এমন পরিস্থিতিতে গ্রুপের অপর দুই কোম্পানি সামিন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ এন্ড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এবং এসএফ টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সঙ্গে তালিকাভুক্ত এ দুই কোম্পানিকে একীভুতকরণের (মার্জ) সিদ্ধান্ত নেয় গ্রুপ সংশ্লিষ্টরা। মূলত তালিকাভুক্ত কোম্পানি দুটিকে লোকসান থেকে ফেরাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যার সুফল এরই মধ্যে দৃশ্যমান। লোকসান থেকে মুনাফার পথে হাটছে কোম্পানি দুটি।
গত শনিবার দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমের বেশ কিছু সংবাদকর্মী সরেজমিনে কোম্পানির গাজীপুরে অবস্থিত কারখানা পরিদর্শনে এমন চিত্র দেখতে পাওয়া যায়।
পরিদর্শনকালে মার্জ হওয়া আর.এন স্পিনিং কোম্পানিটির ১ হাজার ১৭১ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল আয়তনের কারখানা ও উৎপাদন কার্যক্রম সচল থাকার চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া কারখানায় বিদ্যমান মেশিনারিজের ওপর স্টিকার দেখে তা জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, চায়না ও ইন্ডিয়া থেকে আমদানি হওয়া মেশিনারিজ হিসেবে তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। একইসঙ্গে কারখানায় আমদানিকৃত কাঁচামাল ও পণ্যের মজুদ দেখতে পায়।

কারখানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মার্জ হওয়া এ কোম্পানিটিতে তারা রোস্টার অনুসারে ৩ শিফটে ডিউটি করেন। ২৪ ঘন্টা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম সচল থাকে। কোন মেশিনে তাৎক্ষনিক সমস্যা তৈরি না হলে সবগুলো মেশিনই চালু থাকে। পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে আরএন স্পিনিংয়ের ম্যানেজার (মার্কেটিং বিভাগ) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, পুড়ে যাওয়া আরএন স্পিনিংয়ের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে অনিশ্চতা দেখা দেয়ায় আমরা কোম্পানিটিকে মার্জ করেছি। এটা নিশ্চয়ই বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দিতে ভালো সিদ্ধান্ত। বর্তমানে মার্জ হওয়া কোম্পানিটিতে আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা রযেছে ৭৯ হাজার ৮৪৮ স্পেন্ডিল। প্রতি বছর যেখানে ১ কোটি ৭৫ লাখ কেজি সুতা উৎপাদন সম্ভব। আমাদের এ কারখানায় প্রায় ১৬০০ কর্মী কাজ করেন। এটি শতভাগ বিদ্যুৎ চালিত কারখানা। আর আমাদের পণ্যও শতভাগ রপ্তানিমুখী। নিরবিচ্ছিন্নভাবে ২৪ ঘন্টা আমাদের সবগুলো মেশিন চালু থাকে।
এদিকে নারায়নগঞ্জে অবস্থিত ফার কেমিক্যালের সঙ্গে মার্জ হওয়া এসএফ টেক্সটাইলও সরেজমিনে পরিদর্শনে যায় সাংবাদিকরা। এ কারখানা দুটিতেও মেশিনারিজ, আমদানিকৃত কাঁচামাল এবং মজুদ পণ্য দেখতে পায় সাংবাদিকদের টিম। এছাড়া এ কারখানা দুটিতেও সবগুলো মেশিন চালু ও উৎপাদনে পাওয়া যায়।

এ কারখানা দুটি পরিদর্শন শেষে ফার কেমিক্যালের জেনারেল ম্যানেজার আবু তালহা সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে বলেন, মার্জ হওয়ার ফলে এখন আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার ৬০০ স্পেন্ডিল থেকে বেড়ে ৭৫ হাজার ৮৫০ স্পেন্ডিলে দাঁড়িয়েছে। আর প্রতিবছর সুতা উৎপাদনের সম্ভাবনা ৬৩ লাখ কেজি থেকে ১ কোটি ৪৬ লাখ কেজিতে উন্নিত হয়েছে। বর্তমানে আমাদের কারখানা দুটির সর্বমোট ১ হাজার ১২৪ দশমিক ৫৮ ডেসিমেল আয়তন রয়েছে। দুই কারখানায় প্রায় সাড়ে ১৬০০ কর্মী রোস্টার অনুসারে ২৪ ঘন্টা কাজ করেন। শতভাগ বিদ্যুৎ চালিত কারখানা দুটির পণ্যও শতভাগ রপ্তানিমুখী।
একীভুত হওয়া কোম্পানির বিষয়ে ফার গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের ফারুক বলেন, প্রথমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) একটি কমিটি সরেজমিনে আমাদের এসএফ টেক্সটাইল ও সামিন ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাস্টিজ এন্ড টেক্সটাইল মিলসের কারখানা পরিদর্শন করে বিএসইসিকে সন্তোষজনক তদন্ত প্রতিবেদন দেয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করে মার্জ হওয়ার বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কোম্পানি দুটিকে মার্জ করা হয়েছে।
কোম্পানির সুনাম ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য একটি মহল নেতিবাচক প্রচারনা চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে কোম্পানির বিরুদ্ধে বিএসইসি ও শেয়ারহোল্ডারদের কোন অভিযোগ নেই। এ মার্জের ফলে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবেন। কোম্পানির ব্যবসা ও মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে ফার গ্রুপের ম্যানেজার (অ্যাকাউন্টস, ফাইন্যান্স এবং কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) সুদীপ বণিক বলেন, মার্জ হওয়ার আগে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানিই লোকসানে ছিল। আর মার্জ হওয়ার পর এরই মধ্যে ৯ মাসে আমরা মুনাফায় ফিরতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি, আগামী দিনগুলোতে মার্জ হওয়া দুই কোম্পানিই অনেক ভালো মুনাফা অর্জনে সক্ষম হবে।
পাঠকের মতামত:
- জিল বাংলা সুগারের লেনদেন সাময়িক স্থগিত
- বেস্ট হোল্ডিংস জরিমানার কবলে
- লুজারের শীর্ষে বিআইএফসি
- গেইনারের শীর্ষে ড্রাগন সোয়েটার
- ব্লক মার্কেটে ৪৫ কোটি টাকার লেনদেন
- সোমবারও শেয়ারবাজারে উত্থান
- আজও লেনদেনের শীর্ষ মালেক স্পিনিং
- উসমানিয়া গ্লাসের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- দুই কোম্পানির লেনদেন বন্ধ আগামীকাল
- লোকসানে ড্রাগণ সোয়েটার
- সাউথইস্ট ব্যাংকের উদ্যোক্তা বেচবে ১০ লাখ শেয়ার
- ব্যাংক এশিয়ার পরিচালক সাড়ে ১০ লাখ শেয়ার বেচবে
- মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- এনআরবিসি সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে শেয়ার বিক্রির অভিযোগ
- ফরচুন সুজের পরিচালক-কর্মকর্তাদের ৭.২০ কোটি টাকা জরিমানা
- সব সূচকে এগিয়েছে শেয়ারবাজার
- কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু সময়ের দাবি
- লুজারের শীর্ষে ফ্যামিলি টেক্স
- গেইনারের শীর্ষে ইউনিক হোটেল
- ব্লক মার্কেটে ৪৮ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ মালেক স্পিনিং
- জিল বাংলার অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- উত্থান দিয়ে সপ্তাহ শুরু
- পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ সভার তারিখ ঘোষনা
- মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং মান প্রকাশ
- শ্রমিক অসন্তোষের পর আংশিকভাবে উৎপাদনে ফিরেছে ফু–ওয়াং ফুডস
- সর্বোচ্চ বোনাস ব্র্যাক ব্যাংকের, পিছিয়ে মিডল্যান্ড
- নতুন সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী
- এআই স্টকে ধস, রক্তাক্ত এশিয়ার দুই বাজার
- বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল ৫ হাজার ২১৩ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ২৮১ কোটি টাকার লেনদেন
- আইপিও সহজ করতে বড় সংস্কার করা হবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ২৭ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- মন্দা কাটিয়ে পুনরুদ্ধারের পথে শেয়ারবাজার: ডিবিএ সভাপতি
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে উসমানিয়া গ্লাস
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে
- লুজারের শীর্ষে রিজেন্ট টেক্সটাইল
- গেইনারের শীর্ষে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স
- ব্লক মার্কেটে ৩৫ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ মালেক স্পিনিং
- ডিএসইতে ছয় কার্যদিবস পর পতন
- পিপলস লিজিংয়ের লোকসান কমেছে ২ শতাংশ
- ইউরোপের ছয় দেশে লেভোথাইরক্সিন ট্যাবলেটের অনুমোদন পেল রেনাটা
- সাবসিডিয়ারিতে ২৯৩ কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের বড় সিদ্ধান্ত
- বে লিজিংয়ের লোকসান কমেছে ২১ শতাংশ
- লভ্যাংশ দেবে না পিপলস লিজিং
- লভ্যাংশ দেবে না বে লিজিং
- রেমিট্যান্সে নতুন মাইলফলক
- চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে শেষ সুযোগ
- রূপালী লাইফের শেয়ারে কারসাজি, সাড়ে ৫ কোটি টাকা জরিমানা
- সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা ফিরে পেল স্টক এক্সচেঞ্জ
- শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম আয়োজন করল বিএসইসি
- মিউচ্যুয়াল ফান্ড নিয়ে পুরোনো বিতর্কে বিএসইসি
- বাজেটে শেয়ারবাজারবান্ধব উদ্যোগে বিএমবিএর কৃতজ্ঞতা
- শেষ ষোলোতে ফ্রান্স
- হালান্ডের শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোয় নরওয়ে, সামনে ব্রাজিল
- ‘আলফা’-তে পারিশ্রমিকের শীর্ষে আলিয়া, কত পেলেন ববি-শর্বরী?
- পাপারাৎজ়ির আচরণে ক্ষুব্ধ সোনাক্ষী সিন্হা
- বুধবার শেয়ারবাজার বন্ধ
- লুজারের শীর্ষে বেস্ট হোল্ডিংস
- গেইনারের শীর্ষে বিএসআরএম
- ব্লক মার্কেটে ৭৪ কোটি টাকার লেনদেন
- ডিএসইতে ৬ কার্যদিবসে বাড়লো ২০৯ পয়েন্ট
- লেনদেনের শীর্ষ ব্র্যাক ব্যাংক
- ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লাইফ ফান্ড বেড়েছে
- পূণ:মূল্যায়নে ২১ কোটি টাকার সম্পদের দাম বাড়ল ৭৬৩ কোটি
- প্রাইম ফাইন্যান্সের লোকসান বেড়েছে ৬৯ শতাংশ
- ফনিক্স ফাইন্যান্সের লোকসান কমেছে ৪৮ শতাংশ
- লভ্যাংশ দেবে না বেস্ট হোল্ডিংস
- লভ্যাংশ দেবে না ফনিক্স ফাইন্যান্স
- মাকসুদ কমিশনের বিদায় হলেও স্টক এক্সচেঞ্জে বহাল তাদের নিয়োগ দেওয়া পর্ষদ
- লুজারের শীর্ষে পিপলস লিজিং
- গেইনারের শীর্ষে রহিম টেক্সটাইল
- ব্লক মার্কেটে ৭৪ কোটি টাকার লেনদেন
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ














