লুব-রেফের ভুয়া সম্পদের আড়ালে আইপিও’র শত কোটি টাকা গায়েব
ইব্রাহিম হোসাইন (রেজোয়ান) : ভালো ব্যবসা দেখিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শেয়ারবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রিমিয়ামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৫০ কোটি টাকার বিশাল অর্থ উত্তোলন করে লুব-রেফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। তবে ওইসময়ই ভুয়া মুনাফা ও সম্পদ দেখিয়ে এই বিশাল টাকা উত্তোলন করে। যে ভুয়া হিসাব দেখানো থেকে এখনো বেরোতে পারেনি লুব-রেফ কর্তৃপক্ষ। যারা আইপিওর প্রায় শত কোটি টাকা গায়েব করে দিয়েছে ভুয়া সম্পদ কেনার তথ্যের আঁড়ালে। যা দিয়ে পরিচালকেরা রাজধানীর বসুন্ধরায় একাধিক ফ্লাট ক্রয়, সিঙ্গাপুরে অর্থ পাঁচারসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছে।
এ কোম্পানিটির পর্ষদে চেয়ারম্যান হিসেবে রুবাইয়া নাহার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তার স্বামী মোহাম্মদ ইউসুফ রয়েছেন। এছাড়া পর্ষদে শেয়ারহোল্ডার পরিচালক হিসেবে তাদের দুই সন্তান মো. সালাউদ্দিন ইউসুফ ও ড. ইসরাত জাহান রয়েছেন।
বিতর্কিত ইস্যু ম্যানেজার এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের হাত ধরে ২০২১ সালে শেয়ারবাজারে আসে লুব-রেফ বাংলাদেশ। ওই বছরের শুরুতে শেয়ারবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এরমধ্যে ৪৬ কোটি টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ, ৬ কোটি টাকা দিয়ে আইপিও খরচ পরিচালনা ও ৯৮ কোটি টাকা মেশিনারীজ কেনা ও ইনস্টলের ঘোষনা দেওয়া হয়েছিল প্রসপেক্টাসে।
তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ওই ৯৮ কোটি টাকার মধ্যে ৮৫ কোটি টাকা দিয়ে মেশিনারীজ ক্রয়, জমি উন্নয়ন ও সিভিল কনস্ট্রাকশনে ব্যবহার করেছে বলে আইপিও ফান্ড ইউটিলাইজেশন রিপোর্টে জানিয়েছে এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবে ওইসব সম্পদ ব্যবহার উপযোগী করার জন্য কাজ চলমান রয়েছে (ক্যাপিটাল ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস) উল্লেখ করেছে। কিন্তু নিরীক্ষক সরেজমিনে গিয়ে এসব সম্পদের অস্তিত্ব পাননি।
এ বিষয়ে হিসাববিদ মনোয়ার হোসেন অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, কোন কোম্পানি যদি দাবি করে আইপিওর টাকা দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বা চলমান রয়েছে, কিন্তু নিরীক্ষক গিয়ে সরেজমিনে এসবের অস্তিত্ব না পান, তার অর্থ ওই কাজ না করেই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এক কথায় ভুয়া সম্পদ কেনার নামে কেউ টাকা তুলে নিয়েছে।
লুব রেফের অনিয়মের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক ও মূখপাত্র আবুল কালাম অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, আইপিও ফান্ড ব্যবহার নিয়ে কোন ধরনের অনিয়ম কমিশন সহ্য করবে না। লুব-রেফের বিষয়টি কমিশন খতিয়ে দেখবে। এতে কোন ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে, কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এই কমিশন বিনিয়োগকারীদের টাকা তছরুপ করতে দেবে না।
জানা গেছে, লুব-রেফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন প্রতারক চক্রটি বিনিয়োগকারীদের বিশাল অর্থকে ভুয়া সম্পদ কেনার নামে নিজেদের স্বার্থে গায়েব করেছে। যাতে কোম্পানিটি এখন ধুঁকে ধুঁকে কোনরকমে টিকে আছে। এই চক্রটি বিনিয়োগকারীদের টাকায় বসুন্ধরায় পরিচালকদের নামে একাধিক ফ্লাট কিনেছে। তবে বড় একটি অংশ সিঙ্গাপুরে বসবাসরত মেয়ের মাধ্যমে পাঁচার করেছেন মোহাম্মদ ইউসুফ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহযোগিতা করেছেন ইউসুফের মেয়ের শশুর বা বেয়াই সাউথইস্ট ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর কবির।
মোহাম্মদ ইউসুফ চক্র শেয়ারবাজারের বিতর্কিত ব্যক্তি ও আড়ালে থেকে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্টের নেতৃত্ব দেওয়া কাজী সাইফুর রহমানের সহযোগিতায় আইপিওতে আসার আগে অনেক ভুয়া প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু করে। যার একটি অংশ নিয়েছে সাইফুর চক্র। আর বেনামে অনেক শেয়ার নিয়েছে ইউসুফ গং। এদের কারনে বিনিয়োগকারীরা আজ পথের ফকির। আইপিওতে ৩০ টাকা শেয়ার ইস্যু করা কোম্পানিটির শেয়ার দর এখন ৯.২০ টাকা।
এই কোম্পানিটির প্রসপেক্টাসে আর্থিক হিসাবে সমস্যা ছিল এবং প্রিমিয়াম পাওয়ার যোগ্য না বলে তৎকালীন কমিশনকে সতর্ক করেছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) এক নির্বাহি পরিচালক। যা কর্ণপাত না করে অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে কোম্পানিটিকে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
লুব-রেফ কর্তৃপক্ষের প্রতারণা নিয়ে ওইসময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিএসইসির সেই নির্বাহি পরিচালকের তথ্য আরেক দফায় প্রমাণিত হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, লুব-রেফ কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ২০২৫ সালের ৩০ জুন ৫৮৪.৪০ কোটি টাকার স্থায়ী সম্পদ আছে বলে উল্লেখ করেছে। তবে কোম্পানির শিফট ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিতিতে সরেজমিনে যাচাইয়ে গিয়ে তারা ১১৪.৯২ কোটি টাকার সম্পদের হদিস পাননি।
শুধু এখানেই থেমে নেই লুব-রেফের প্রতারণা। এ কোম্পানি কর্তৃপক্ষ কোন নির্মাণাধীন বা ক্যাপিটাল ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস ছাড়াই টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভূয়া সম্পদ দেখিয়েছে। তারা আইপিওর টাকা দিয়ে প্রকল্প নির্মাণ করছে বা প্রকল্প কাজ চলমান হিসাবে ভূয়া তথ্য দিয়ে পুরো টাকা গায়েব করেছে।
লুব-রেফ কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ২০২৫ সালের ৩০ জুন আইপিও অর্থে নতুন প্রকল্প চালুর জন্য ক্যাপিটাল ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস (সিডব্লিউআইপি) দেখিয়েছে ২১২.২৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪৬.৭৩ কোটি টাকার কাজ করা হয়েছে বলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নিরীক্ষককে বুকস অব অ্যাকাউন্টস বা সাপোর্টিং রেকর্ডস এর বিস্তারিত দিতে পারেনি।
এরপরে নিরীক্ষক ওই সিডব্লিউআইপির সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যমান কারখানা এবং জুলদা প্রকল্পে সরেজমিনে পরিদর্শন করে। তবে এক্ষেত্রে নিরীক্ষক কোন নির্মাণ প্রকল্প বা ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস দেখতে পায়নি। এভাবে ভূয়া প্রকল্প ব্যয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে আইপিওর টাকা।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, এই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ সদুজনিত ৫ কোটি টাকার ব্যয়কে ক্যাপিটাল ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস হিসাবে সম্পদ দেখিয়েছে। কিন্তু ওই ৫ কোটি টাকা মূলত ব্যয় হিসাবে প্রফিট অর লস (ইনকাম স্টেটমেন্ট) দেখাতে হবে। যেহেতু ক্যাপিটাল ওয়ার্ক-ইন-প্রগ্রেস নাই।
নিরীক্ষক জানিয়েছেন, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে আইপিওতে টাকা সংগ্রহ করা কোম্পানিটির এখনো ১৩.১০ কোটি টাকা অব্যবহৃত রয়েছে। যা রাখা আছে ধংস হয়ে যাওয়া স্যোশাল ইসলামী ব্যাংকে। যে অর্থ বেড়ে হয়েছে ১৯.৮৭ কোটি টাকা। এখন এই অর্থ ফেরত পাওয়া হয়ে গেছে ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া দীর্ঘসময়ে ফান্ড ব্যবহার করতে না পারাকে প্রসপেক্টাসে বর্ণনার গুরুতর লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক।
এই কোম্পানিতে ২০২৫ সালের ৩০ জুন অবন্টিত লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫.৯২ কোটি টাকা। এরমধ্যে ১.৪২ কোটি টাকা ছিল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য। যা প্রদান করা হয়নি।
লুব-রেফের আর্থিক হিসাবে অন্যান্য পাওনাদার হিসাবে ২০২৫ সালের ৩০ জুন ১৪.৩০ কোটি টাকার দায় দেখানো হয়েছে। যা আগের বছর থেকে হিসাবের জের টেনে আনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ নিরীক্ষককে লেজার বা পাওনাদের ঠিকানা দেয়নি। এ কারনে সত্যতা যাচাইয়ে ওইসব পাওনাদারদেরকে চিঠি দিতে পারেনি নিরীক্ষক। এছাড়া বিকল্প নিরীক্ষা পদ্ধতি হিসেবে কোম্পানির কাছে ৩ মাসের লেজার চেয়েছিল নিরীক্ষক। সেটাও দেয়নি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এতে করে ওই ১৪.৩০ কোটি টাকার হিসাবের সত্যতা পায়নি নিরীক্ষক।
এদিকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৪.৩৩ কোটি টাকার কাঁচামাল ও প্যাকেজিং পণ্য কিনেছে বলে আর্থিক হিসাবে উল্লেখ করেছে। কিন্তু মূসক ৯.১ অনুযায়ি ওই অর্থবছরে ৩১.৭৫ কোটি টাকার কাঁচামাল ও প্যাকেজিং পণ্য কেনা হয়েছে।
২০২১ সালে শেয়ারবাজারে আসে লুব-রেফ বাংলাদেশ। ওই সময় ২০১৯-২০ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি ২.৫৬ টাকা মুনাফা দেখানো কোম্পানিটির বুক বিল্ডিংয়ে কাট-অফ প্রাইস হয় ৩০ টাকা। আর সাধারন বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ টাকা করে শেয়ার ইস্যু করা হয়।
এমন প্রিমিয়াম নেওয়া লুব-রেফের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে (৪.৫৬) টাকা। ওই অর্থবছরের ব্যবসায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়নি। তবে কোম্পানিটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোকসানের মুখ দেখে। ওই অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় (০.৭৪) টাকা। ওই অর্থবছরের ব্যবসায় ১% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। যে কোম্পানিটি ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় ২% লভ্যাংশ দিয়েছিল। এই নামমাত্র লভ্যাংশও ঠিকমতো শেয়ারহোল্ডারদের দিতে পারেনি। এ কারনে কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ না পেয়ে অনেক শেয়ারহোল্ডার বিএসইসিতে অভিযোগও করেন।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির অর্থবছরে (২০২০-২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩.৪১ টাকা। যা কমে ২০২১-২২ অর্থবছরে ২.১৩ টাকা ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরও কমে হয় ১.৪১ টাকা।
এসব বিষয়ে জানতে গত ৭ জানুয়ারি লুব-রেফের সচিব কবির হোসাইনের সঙ্গে এই প্রতিবেদক যোগাযোগ করে। এরপরে তার সঙ্গে সর্বশেষ ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিন কথা হয়েছে। শুরুতে কোম্পানির এমডি পারিবারিক সমস্যা ও অন্যান্যা সমস্যায় আছে জানালেও পরে লিখিতভাবে কমেন্টস দেবেন বলে জানান। এ নিয়ে কয়েক দফায় সময় নিয়ে সর্বশেষ তার বক্তব্য ছিল এমডি লেখাটা দেখে কিছু জানাননি। তবে ২৭ জানুয়ারির পরে আর ফোন রিসিভ করেননি। এরমধ্যে ১ ফেব্রুয়ারি কোম্পানির এমডি মোহাম্মদ ইউসুফকে ফোন দিলে তিনি বলেন কোম্পানি সচিব একটা লেখা দিয়েছে, যা তিনি দেখতে পারেননি। দেখে জানাবেন। তবে এরপরে আর জানাননি।
উল্লেখ্য, শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে এই কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার জমিতে ৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ করা হয় বলে দাবি করে। তবে কোম্পানিটির সরেজমিনে পরিদর্শনে তা পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রাম শহরে ১০০ শতাংশ জমির পুরোটার উপরে কোম্পানিটির অফিস ও কারখানা। যেখানে প্রাচীর ও ভেতরে হাটার মতো রাস্তা ছাড়া উন্নয়ন ব্যয়ের সুযোগ নেই। আর নদীর পারে কারখানা করার জন্য কোম্পানিটির কিছু ধানী জমি কেনা আছে। যেখানে মাটি ফেলে কিছু অর্থ কাজে লাগানো হয়েছে।
এই দুইয়ের বাহিরে কোম্পানিটির বলার মতো জমি উন্নয়ন ব্যয় নেই। যেখানে ৫ কোটি টাকা ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ সেটাকে ৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা দেখিয়ে নিজেদের সম্পদ বাড়িয়ে দেখায়।
জমি উন্নয়ন দেখাতে গিয়ে বড় প্রতারণার আশ্রয় নেয় লুব-রেফ কর্তৃপক্ষ। তারা কোম্পানিটির উন্নয়ন কাজের মধ্যে ৩.৫৩ কোটি টাকার ইট, ৪.২৯ কোটি টাকার সিমেন্ট, ৪.৬৪ কোটি টাকার লোহা ব্যবহার করার কথা বলে। এছাড়া উন্নয়ন করতে পাইলিংয়ে ৩.১০ কোটি টাকা ও ৩.৩৪ কোটি টাকার শ্রমিক ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে। যার বাস্তবে কোন অস্তিত্ব ছিল না।
আইপিওকালীন সময়েই বিএসইসির এক নির্বাহি পরিচালক অর্থ বাণিজ্যকে বলেছিলেন, লুব-রেফ বাংলাদেশ প্রিমিয়াম পাওয়ার যোগ্য ছিল না। কৃত্রিম সম্পদ দেখিয়ে বুক বিল্ডিংয়ে এসেছে। এছাড়াও আরও অনেক সমস্যা রয়েছে। আইপিওর ২-৪ বছর পর লভ্যাংশ দিতে পারবে না বলে ওইসময়ই জানিয়েছিলেন।
পাঠকের মতামত:
- লুব-রেফের ভুয়া সম্পদের আড়ালে আইপিও’র শত কোটি টাকা গায়েব
- মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ লেনদেন ১ হাজার
- উত্তরা ফাইন্যান্সের অর্থ লুটপাটে ফাঁসলেন সাবেক এমডিসহ দুইজন
- বিশ্বের সর্বোচ্চ ফিচারের ওয়ালটনের নতুন মডেলের এসি উদ্বোধন করলেন তাসকিন
- অফিসের দিন প্রপারলি ইউটিলাইজ করা হয়
- কারাগারে রাজপাল যাদব
- লুজারের শীর্ষে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- গেইনারের শীর্ষে কে অ্যান্ড কিউ
- ব্লক মার্কেটে ১৮ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাব
- মাকসুদ কমিশনের নেতৃত্বে পতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু
- নির্বাচনি ইশতেহারে শেয়ারবাজার নিয়ে পরিকল্পনা : বিএনপিকে ডিবিএ’র ধন্যবাদ
- অলিম্পিক এক্সেসরিজের ক্রেডিট রেটিং মান প্রকাশ
- ন্যাশনাল ফিড মিলের লভ্যাংশ সভার তারিখ পরিবর্তন
- মেঘনা কনডেন্সড মিল্কে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম
- নির্বাচন উপলক্ষে ২ দিন বন্ধ থাকছে শপিংমল
- এই ম্যাচে জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল : নেদারল্যান্ডসের মিকেরেন
- বিচ্ছেদের ইঙ্গিত যীশু-নীলাঞ্জনার
- সোশ্যাল মিডিয়া ডাস্টবিন
- বাড়ল সোনার দাম
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ৮৪ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ২৫ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল ৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে
- লুজারে পঁচা শেয়ারের আধিপত্য
- গেইনারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আধিপত্য
- উত্তরা ফাইন্যান্সে ৫ পরিচালক নিয়োগ
- চার কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ
- মাকসুদ কমিশনের অপসারনের দিনক্ষণ গুণছে বিনিয়োগকারীরা
- আর্থিক হিসাব প্রকাশ করবে বিএসসি
- ৩০ লাখ শেয়ার কিনলেন স্কয়ার ফার্মার এমডি-পরিচালক
- গ্রামীণফোনের ২৯০৩ কোটি টাকার লভ্যাংশ ঘোষণা
- আরএকে সিরামিকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- প্রাইম ফাইন্যান্সের স্পটে লেনদেন শুরু
- এশিয়াটিক ল্যাবের মুনাফা বেড়েছে ১৬৯ শতাংশ
- এমসিএল প্রাণের অধঃপতন থেকে রক্ষা
- মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা
- ২ লাখ ১০ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন
- বাবা হলেন অভিনেতা পলাশ
- এমসিএল প্রাণের অধঃপতন
- বলিউড স্টাইলে মিম
- শুল্ক হ্রাসে ভারতের শেয়ারবাজারে সূচক বেড়েছে ৩৬৫৭ পয়েন্ট
- বুধবার শেয়ারবাজার বন্ধ
- গেইনারের শীর্ষে শাশা ডেনিমস
- ব্লক মার্কেটে ৩১ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাব
- ফুরিয়ে আসছে মাকসুদ কমিশনের সময়, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে শেয়ারবাজার
- প্রাইম ফাইন্যান্সের স্পটে লেনদেন শুরু বৃহস্পতিবার
- ন্যাশনাল টিউবসে সচিব নিয়োগ
- গ্রামীণফোনের লভ্যাংশ ঘোষনা
- রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
- জাহিন স্পিনিংয়ের উৎপাদনে ফেরা নিয়ে শঙ্কা
- ইসলামিক ফাইন্যান্সে সচিব নিয়োগ
- ৯ কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ
- লুজারের শীর্ষে মেঘনা পেট
- শেয়ারবাজারে উত্থান
- গেইনারের শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক
- ব্লক মার্কেটে ১৩ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক
- আর্থিক হিসাব প্রকাশ করবে এশিয়াটিক ল্যাব
- শেয়ার কিনলেন সালভোর এমডি
- স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে এমডি নিয়োগ
- নিরাপত্তাহীনতায় লন্ডন ছাড়লেন টম ক্রুজ
- এ আর রহমানকে অতিথি করায় বিজেপির বিরোধীতা
- পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে যা বললো আইসিসি
- সোনারগাঁও টেক্সটাইলে ভূয়া মজুদ পণ্য
- আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি মৌয়ের
- রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানালেন পরীমনি
- জানুয়ারিতে এলো ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার
- প্রাইজ বন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত, প্রথম পুরস্কার পেলেন যিনি
- গেইনারের শীর্ষে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
- ব্লক মার্কেটে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার














