হয় সাক্ষী, নয়তো আসামি
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিতে গত মাসের শুরুতে নজিরবিহীন ক্রোন্দলের ঘটনা ঘটে। যেখানে বিএসইসির সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একজোট হয়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগ চান। যেটাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী কায়দায় ১৬ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে ভয়ের ত্রাস তৈরী করেছেন মাকসুদ কমিশন। এরপরে অন্যসব কর্মকর্তাদেরকে মামলার সাক্ষী হতে চাঁপ দিচ্ছেন। অন্যথায় তাদেরকেও মামলার আসামী করা হবে বলে ভয় দেখানো হচ্ছে।
এই অবস্থায় বিএসইসিতে কাজে স্থবিরতা বিরাজ করছে। বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন মামলা খাওয়ার ভয়ে। আর মামলার পরবর্তীতে তা মোকাবেলায় আর্থিক মন্দাবস্থার কথাও ভাবাচ্ছে তাদের। কারন সৎ অফিসারদের বেতনাদি দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার আর্থিক খাতে বিএসইসি ছাড়া সব জায়গাতেই যোগ্য লোককে নিয়োগ দিয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে আশিক চৌধুরী। তাদের যোগ্য নেতৃত্বে ওই দুটি খাত অনেক প্রশংসিত। তবে শেয়ারবাজারে দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এ খাতটি সবসময় অভাগা। তাই স্বৈরাচারের পতনেও বিএসইসিতে যোগ্য লোকের অভাবে বিনিয়োগকারীদের ভাগ্য খুলেনি। বরং কপাল পুড়েছে।
বিএসইসিতে অচলাবস্থার তৈরী গত ৫ মার্চ থেকে। বিএসইসির নির্বাহি পরিচালক সাইফুর রহমানকে বিতর্কিতভাবে বাধ্যতামূলক অবসরের পাঠানো প্রতিবাদে ওইদিন কর্মকর্তারা পুরো কমিশনের পদত্যাগ দাবি করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিএসইসির প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কমিশনের বোর্ড রুমে চেয়ারম্যান-কমিশনারদের কাছে ৪ দাবি তুলে ধরা হয়। তবে কমিশন তা মানতে অস্বীকার জানায়। এরপরে শুরু হয় চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাকবিতন্ডা।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএসইসির ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংস্থাটির প্রধানেরই প্ররোচনায় ন্যাক্কারজনক মামলা করা হয়। গত ৬ মার্চ বিএসইসি চেয়ারম্যানের গানম্যান মো. আশিকুর রহমান বাদি হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। যার পেছনে কলকাঠি নেরেছেন অযোগ্য হিসেবে খেতাব পাওয়া বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
এরপরে ১৬ মার্চ সাধারন ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। যেখানে কর্মকর্তাদের নাম ঢুকানো হবে বলেও ভয় দেখানো হচ্ছে।
ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির কিছু কর্মকর্তা অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, ৫ মার্চের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান মহোদয় ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে শুরুতেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আওয়ামী কায়দায় ভয়ের ত্রাস তৈরী করেছেন। এখন তিনি সবার ফোন নাম্বার, বাসার বর্তমান ঠিকানা ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। একইসঙ্গে কর্মকর্তাদেরকে সাক্ষী হওয়ার জন্য ব্ল্যাকমেইলিং শুরু করেছেন। সাক্ষী না হলে আসামী করার হুমকি দিচ্ছেন। অবস্থায় বিএসইসিতে সবার মধ্যে ভয় কাজ করছে।
ওই কর্মকর্তারা বলেন, বিএসইসির সব কর্মকর্তা অসৎ না। সৎভাবে আর কয় টাকা বেতনাদি পায় একজন অফিসার। এরমধ্যে যদি মামলা মোকাদ্দমা খেয়ে কোর্টে দৌড়াতে হয়, তাহলে সে টিকবে কিভাবে। সব মিলিয়ে বিএসইসিতে কাজে স্থবিরতা বিরাজ করছে। যা বিএসইসির ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এতে করে দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজারের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।
বিএসইসির কর্মকর্তাদের আগে থেকেই খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের উপর শেয়ারবাজারের সব খাতের মানুষের ক্ষোভ। সবার মধ্যেই এই কমিশনের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আর প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বহুদিন বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ-মানববন্ধন করেছেন। এই কমিশনের যোগ্যতা নেই বলে পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। তারপরেও চেয়ার আকঁড়ে ধরে রেখেছেন রাশেদ মাকসুদ। বিনিয়োগকারীসহ শেয়ারবাজারের সব ক্ষেত্রের মানুষ তাকে না চাইলেও তিনি যাবেন না। অথচ সামান্য সমালোচনা উঠতেই মাসরুর রিয়াজ বিএসইসিতে যোগদানই করেননি।
এতো কিছুর পরেও রাশেদ মাকসুদের চেয়ার আকঁড়ে ধরে রাখায় তার ক্ষতি না হলেও প্রতিদিন পুঁজি হারাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা। ধংসের পথে বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান। অথচ আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পরে ও মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশন পূণ:গঠনের আগে শেয়ারবাজারে অনেক ভালো হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল। যা পরবর্তীতে বিএসইসিতে যোগ্য লোকের অভাবে সম্ভব হয়ে উঠেনি।
পাঠকের মতামত:
- শেষ দুই ম্যাচে জয় নিউজিল্যান্ডের ভারতের সিরিজ জয়ের উৎসবেও স্বস্তি নেই
- মেহরবের প্রথম সেঞ্চুরি নাসুমের পাঁচ উইকেট
- লুজারের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং
- গেইনারের শীর্ষে মতিন স্পিনিং
- ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন
- পতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু
- লেনদেনের শীর্ষে মতিন স্পিনিং
- ১১ ব্যাংকের মধ্যে ৬টির ইপিএস ঋণাত্মক
- রয়্যালটি চুক্তি পরিবর্তন করল রেকিট বেনকিজার
- ১৬ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা, লোকসানে ৬টি
- মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- আনলিমা ইয়ার্নের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- নাভানা সিএনজির ১% লভ্যাংশ ঘোষণা
- সোনালি আঁশের ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- টানা দুই দিন কমল স্বর্ণের দাম
- ওয়ালটন প্লাজায় কিস্তির অর্থ উত্তোলন সুবিধা
- মালয়েশিয়ার বিলাসবহুল হোটেলে পরীমনি
- হ্যালোইন সাজে রহস্যময় অপু বিশ্বাস, চেনাই দায়
- তিন বছরে ২৪২% রিটার্ন, নভেম্বরে লভ্যাংশের সিদ্ধান্ত
- জিয়োর শেয়ারে দুই দিনে ২৭ শতাংশের বেশি মুনাফা, চাঙা ভারতীয় বাজার
- ক্যাপিটাল গেইনে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ
- এসবিএসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৩৩ শতাংশ
- শাইনপুকুর সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিনিয়োগকারীরা হারালো ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৮০ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ২৭ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- Revised Price Sensitive Information of Mostafa metal
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে মীর আখতার
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- কনফিডেন্স সিমেন্টের ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- লীগ্যাছি ফুটওয়্যারের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ইউসিবির ১১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার কিনতে চান চেয়ারম্যান-সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠান
- সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৪০ শতাংশ
- কোহিনুর কেমিক্যালের ৩২.৫০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- গেইনারের শীর্ষে ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- একদিন পরেই পতনে ফিরল শেয়ারবাজার
- মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নিয়ে চাপের মুখে বিএসইসি
- ব্লক মার্কেটে শত কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
- লাভের দৌড়ে ৯ ব্যাংক, লোকসান আরও বাড়ল রূপালীর
- লোকসানেও লভ্যাংশ দিচ্ছে ছয় কোম্পানি, দিচ্ছে না ১২টি
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৮১ শতাংশ
- মুন্নু অ্যাগ্রোর ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিএটিবিসির মুনাফা কমেছে ২৯ শতাংশ
- এম.এল ডাইংয়ের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- জিবিবি পাওয়ারের ৫ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ওয়াটা কেমিক্যালের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা
- জেনেক্স ইনফোসিসের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ক্যাল ইনভেস্টমেন্টসের দুই বিও হিসাব তদন্তে বিএসইসি
- সুদের ওপর কর্মকর্তাদের ভাগ
- Price Sensitive information of Techno Drugs Ltd.
- এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
- এস্কয়ার নিটের ২০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ফার কেমিক্যালের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ই-জেনারেশনের লভ্যাংশ ঘোষণা
- টেকনো ড্রাগসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- সাফকো স্পিনিংয়ের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- কুইন সাউথের লভ্যাংশ ঘোষণা
- সূচকের উত্থানে বাড়ল লেনদেনও
- গেইনারের শীর্ষে ড্রাগন সোয়েটার
- ব্লক মার্কেটে ১৮ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
- ৩২ কোম্পানির লভ্যাংশে বড় চমক : লোকসানেও দিচ্ছে চারটি
- মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৭৭ শতাংশ
- মুনাফা আকাশচুম্বি, লভ্যাংশ তলানি
- ইফাদ অটোজের ৩০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- বিডিকম অনলাইনের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- এডিএন টেলিকমের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ওরিজা অ্যাগ্রোর আড়াই পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের ১৩% লভ্যাংশ ঘোষনা
- এমজেএল বাংলাদেশের লভ্যাংশ ঘোষনা
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ














