এখনো এফডিআর সুদে ভর করে চলে স্টক এক্সচেঞ্জ
ইব্রাহিম হোসাইন (রেজোয়ান) : দেশের শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রতিষ্ঠার পরে দীর্ঘ সময় পার করলেও এখনো এফডিআর এর সুদের উপর ভর করে চলছে। উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে উচ্চ বেতনে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হলেও ব্যবসায় কোন উন্নতি হচ্ছে না। তাই এফডিআর এর সুদ থেকে লভ্যাংশ নিয়েই তৃপ্ত থাকতে হচ্ছে শেয়ারহোল্ডারদের। এমনকি এফডিআর না থাকলে, অস্তিত্ব সংকটের শঙ্কায় পড়তে হতো স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিকে।
শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, এরা এফডিআরেই চলবে। যেখানে তদবির করে নিয়োগ পাওয়া যায়, সেখানে ভালো কিছু আশা করা যায় না। অথচ স্টক এক্সচেঞ্জে দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া উচিত। যারা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসায় উন্নতি করতে সক্ষম। আর সিএসইতে তো লেনদেনই হয় না। এরা বসে বসে বেতন ভাতা নিতেছে। একইসঙ্গে পর্ষদের লোকজনও ভালো মিটিং ফি নিচ্ছে।
ডিএসইর ৫৬ বছর ও সিএসইর ২৭ বছরের দীর্ঘ পথচলায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে পরিচালনা পর্ষদ ও ম্যানেজমেন্টের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। উচ্চ বেতনে ম্যানেজমেন্টের লোকজন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডারদের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি। এখনো এফডিআর থাকার কারনে স্টক এক্সচেঞ্জ দুটি মুনাফায় রয়েছে। আর ‘বি’ ক্যাটাগরির লভ্যাংশ দিতে পারছে।
২০১২-১৩ অর্থবছর পর্যন্ত দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ছিল। তবে ২০১৩ সালের ২১ ডিমিউচ্যুয়ালাইজড হওয়ার মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত হয়। এরপর ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে লভ্যাংশ বিতরন করতে হচ্ছে। তবে এর আগে লভ্যাংশ বিতরন না করায়, তা স্টক এক্সচেঞ্জেই জমা হত। তবে এখন ‘বি’ ক্যাটাগরির লভ্যাংশ দেওয়ার পরেও আর অবশিষ্ট ফান্ড থাকে না। শুরুতে ডিএসইকে ৩ বছর ১০ শতাংশ করে লভ্যাংশ দিতে গিয়ে রিজার্ভ ব্যবহার করতে হয়েছে। তারপরেও ব্যবসায় কোন উন্নতি না হওয়ায় সর্বশেষ অর্থবছরে লভ্যাংশ ৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। আর সিএসই ৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
স্টক এক্সচেঞ্জের আয়ের প্রধান উৎস লেনদেন হলেও সুদজনিত আয়ই বেশি হয়। এই অবস্থায় নিজেদের স্বার্থেই স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বাড়ানো উচিত। কিন্তু কম হওয়ায় বিভিন্ন মহল থেকে বিএসইসিকে দোষারোপ করা হয়। অথচ নিজেদের স্বার্থেই এটা বাড়ানোর দায়িত্ব স্টক এক্সচেঞ্জের। লেনদেন বেশি হলে স্টক এক্সচেঞ্জ কমিশন পাবে। এর সাথে বিএসইসির কোন ব্যবসা নেই। তারপরেও লেনদেন বাড়ানোর জন্য বিএসইসিকে যতটা ভূমিকা রাখতে দেখা যায়, তা স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে না।
স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসায় উন্নতি না হলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেছনে কম ব্যয় হয় না। উচ্চ বেতনে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হলেও ব্যবসা হয় গতানুগতিক।
বিএসইসি শেয়ারবাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলেও স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তাদের বেতন অনেক বেশি। বিএসইসির সর্বোচ্চ কর্মকর্তা মাসে পৌনে ২ লাখ টাকা বেতন পেলেও ডিএসইর এমডির পেছনে ব্যয় হয় ১২ লাখ টাকা। আর সিএসইর এমডির পেছনে ব্যয় ৬ লাখ টাকা। এমনকি ডিএসইর মাসিক গড়ে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেছনে ব্যয় হয় ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা করে।
সিএসইর কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেছনে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর ১৩ পরিচালকের পেছনে বোর্ড মিটিং ও কমিটি মিটিং ফি বা সম্মানিবাবাদ ১৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি পরিচালক পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা বা মাসিক হিসাবে ১১ হাজার টাকা।


অপরদিকে ডিএসইর ৩৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীরর পেছনে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে ৪৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যা গড়ে প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য মাসে ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা করে ব্যয় হয়েছে। আর ১৩ পরিচালকের পেছনে বোর্ড মিটিং ও কমিটি মিটিং ফি বা সম্মানিবাবাদ ৫৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি পরিচালক পেয়েছেন ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বা মাসিক হিসাবে ৩৪ হাজার টাকা। ![]()

এমন উচ্চ বেতন এবং শ্রমিক না থাকা সত্ত্বেও স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিতে গার্মেন্টসের শ্রমিকদের ন্যায় ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (ডব্লিউপিপিএফ) গঠন করা হয়। এজন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার ফান্ড গঠন করতে হয়। এই ফান্ড থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে অর্থ পান, তা পুরো বছর কাজ করেও পান না গার্মেন্টসসহ অন্যান্য খাতের শ্রমিকরা। তবে শ্রমিক কাজ না করায় বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানিতে শ্রমিক ফান্ড গঠন থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
ডিএসইতে মুনাফার ৫ শতাংশ হারে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকার ফান্ড গঠন করা হয়। যা ডিএসইর ১২ লাখ টাকা সম্মানির এমডিসহ ৩৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবাই পাবেন। অর্থাৎ গড়ে এই ফান্ড থেকে সবাই ১ লাখ ৫০ হাজার করে টাকা পাবেন। আর সিএসইতে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকার এই ফান্ড গঠন করা হয়েছে।
ব্যাংকের এফডিআর থাকায় এখনো টিকে রয়েছে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। স্টক এক্সচেঞ্জ ২টির মধ্যে ডিএসইর ২০২২-২৩ অর্থবছরে নিট মুনাফা হয়েছে ৮০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা বা ইপিএস ৪৫ পয়সা। আর সিএসইর হয়েছে ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বা ইপিএস ০.৫৪ টাকা।
ডিএসইর ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আয় হয়েছে ২৩৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এরমধ্যে লেনদেন থেকে আয় হয়েছে ৯৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আর এফডিআর ও বন্ড থেকে সুদজনিত আয় হয়েছে ৬৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ও সিডিবিএল থেকে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা লভ্যাংশ আয় হয়েছে। এছাড়া ভবন ভাড়া থেকে ১২ কোটি ২১ লাখ টাকা ও নানাবিধ আয় আছে ৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
এই স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালন ব্যয় হয়েছে ১২৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। যাতে পরিচালন মুনাফা হয়েছে ১১২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

এদিকে সিএসইর ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যবসা পরিচালনার থেকে সুদজনিত আয় বেশি হয়েছে। এ স্টক এক্সচেঞ্জটির ২০২২-২৩ অর্থবছরে পরিচালন আয় হয়েছে ৩৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আর সুদজনিত আয় হয়েছে ৩৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। এ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন আয় থেকে পরিচালন মুনাফা হয়েছে মাত্র ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছর শেষে ডিএসইর এফডিআর রয়েছে ৮৬০ কোটি ৬২ লাখ টাকা। আর সিডিবিএলে ৮১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্টের জন্য দীর্ঘদিনেও কার্যক্রম শুরু না হওয়া সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিসিবিএল) ৪৫ শতাংশ মালিকানায় ১৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।

সিএসইর ২০২২-২৩ অর্থবছরে শেষে এফডিআর রয়েছে ৪৩৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এছাড়া সিডিবিএলে বিনিয়োগ ৬১ কোটি ২৬ লাখ টাকা, সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিসিবিএল) ৬০ কোটি টাকা ও বন্ডে ৫৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে।

১ হাজার ৮০৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ডিএসইতে নিট ১ হাজার ৯১৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকার নিট সম্পদ রয়েছে। যা শেয়ারপ্রতি বিবেচনায় রয়েছে (এনএভিপিএস) ১০.৬৩ টাকা। আর ৬৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের সিএসইতে নিট সম্পদ রয়েছে ৭৬১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বা এনএভিপিএস ১২.০১ টাকা।
পাঠকের মতামত:
- আরডি ফুডের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের বোনাসে সম্মতি
- অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, ইজিএমের তারিখ ঘোষণা
- সাউথইস্ট ব্যাংকের এজিএমের তারিখ পরিবর্তন
- বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরুর ঘোষণা
- লেনদেনে ফিরেছে ১৭ কোম্পানি
- ব্র্যাক ব্যাংক গ্রিন বন্ড ইস্যু করবে
- শাস্তির আওতায় লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ
- লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দল পেলেন সাকিব
- সোহমের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা
- নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান ‘লোকে বলে’
- বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল ২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ২৪৩ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ২৩ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- শেয়ারবাজারে অনিয়ম: ৩ কোম্পানির ২২ জনকে আর্থিক দণ্ড
- বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা জোরদারে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মনোনয়ন
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে এসকে ট্রিমস
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছে
- লুজারের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
- গেইনারের শীর্ষে নাহি অ্যালুমিনিয়াম
- শেয়ারবাজারে টানা ৩ দিন উত্থান
- ব্লক মার্কেটে ৫৬ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে আরডি ফুড
- বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক বন্ডের রিটার্ন ঘোষণা
- বহুতল ভবন বানাবে পপুলার লাইফ
- সরকারের পাওনা সমন্বয়ে প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু
- ট্রাস্ট ব্যাংকের বোনাসে সম্মতি
- দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ১২০ শতাংশ
- দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ২% লভ্যাংশ ঘোষনা
- লভ্যাংশ দেবে না ন্যাশনাল টি
- ১৭ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
- লেনদেনে ফিরেছে ১০ কোম্পানি
- টানা দ্বিতীয় বছর জরিমানার পথে এনআরবিসি ব্যাংক
- ফ্যামিলিটেক্সে তালা, বেপজার নিলামে সম্পদ
- বুধবারও শেয়ারবাজারে উত্থান
- লভ্যাংশ দেবে না লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ
- ভুল হিসাবেই বিনিয়োগে আস্থা হারাচ্ছে শেয়ারবাজার- সংসদ সদস্য আবুল কালাম
- ভালো প্রিমিয়াম পেতে কৃত্রিম আর্থিক হিসাব-বিজিএমইএ সভাপতি
- খামখেয়ালি অডিটে বিনিয়োগকারীদের সর্বনাশ- অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা
- ভুয়া হিসাব ও দুর্বল অডিটে আস্থাহীন শেয়ারবাজার
- লুজারের শীর্ষে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স
- গেইনারের শীর্ষে মীর আখতার
- ব্লক মার্কেটে ৩৭ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে এনসিসি ব্যাংক
- আগামীকাল লেনদেনে ফিরবে ১০ কোম্পানি
- আগামীকাল ১৭ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
- দুই কোম্পানির স্পটে লেনদেন শুরু আগামীকাল
- সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ জুলাই
- লভ্যাংশ দেবে না ইউনিয়ন ক্যাপিটাল
- ১০ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
- লেনদেনে ফিরেছে ৩ কোম্পানি
- রিটেইন আর্নিংস বাড়াতে গিয়ে জরিমানা এনআরবি ব্যাংকের
- বোর্ডে নারীর সক্রিয় উপস্থিতিতেই পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব নিশ্চিত
- উত্থানে ফিরেছে শেয়ারবাজার
- এবি ব্যাংক পার্পেচ্যুয়াল বন্ডের অর্ধবার্ষিক কুপন হার নির্ধারণে ট্রাস্টি সভা
- লুজারের শীর্ষে ঢাকা ব্যাংক
- গেইনারের শীর্ষে আরডি ফুড
- ব্লক মার্কেটে ৪৩ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
- এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষনা
- মেঘনা পেটের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- ১০ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ আগামীকাল
- আগামীকাল লেনদেনে ফিরবে ৩ কোম্পানি
- নেইমারকে রেখেই বিশ্বকাপ স্বপ্নে ব্রাজিল, ঝুঁকি নিতে চাননি আনচেলত্তি
- ব্যতিক্রমী পোশাকে ঝড় তুললেন শাকিরা
- এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং মান প্রকাশ
- ডমিনেজ স্টিলের ২৩৭% দর বৃদ্ধি
- পর্ষদের সিদ্ধান্তে শেয়ারহোল্ডার ক্ষতিগ্রস্ত, জরিমানায় ওয়ান ব্যাংক
- ঈদের আগে শনিবারও চালু শেয়ারবাজার
- সোমবারও শেয়ারবাজারে পতন
- লুজারের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
- গেইনারের শীর্ষে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স
- ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- আরডি ফুডের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের বোনাসে সম্মতি
- অনুমোদিত মূলধন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত, ইজিএমের তারিখ ঘোষণা
- সাউথইস্ট ব্যাংকের এজিএমের তারিখ পরিবর্তন
- বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরুর ঘোষণা
- লেনদেনে ফিরেছে ১৭ কোম্পানি
- ব্র্যাক ব্যাংক গ্রিন বন্ড ইস্যু করবে
- শাস্তির আওতায় লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ














