লভ্যাংশে পনেরো শতাংশ কর—শঙ্কা ও আশঙ্কার শেয়ারবাজার
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা, দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়কে বিনিয়োগে রূপান্তর করা এবং বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়ানো—লক্ষ্যই যদি আমাদের অর্থনীতির নীতির অংশ হয়, তাহলে লভ্যাংশের ওপর করনীতি সেই বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। কিন্তু নগদ লভ্যাংশের ওপর ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্য ১৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপের বর্তমান ব্যবস্থা কিছু মৌলিক প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী ব্যক্তির লভ্যাংশে ১০ শতাংশ এবং কর শনাক্তকরণ নম্বর না থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হতো। এর মধ্যে একটি নীতিগত যুক্তি ছিল—যারা কর ব্যবস্থার আওতায় রয়েছেন, কর শনাক্তকরণ নম্বর নিয়েছেন এবং নিয়মিত আয়কর বিবরণী দাখিল করছেন, তাঁদের কিছুটা কর-সুবিধা দেওয়া। কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর শনাক্তকরণ নম্বর থাকুক বা না থাকুক, উভয়ের জন্য একই ১৫ শতাংশ করহার নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে একজন নিয়মিত করদাতা এবং একজন কর শনাক্তকরণ নম্বরবিহীন বিনিয়োগকারীর মধ্যে লভ্যাংশ করের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য থাকছে না।
এখানেই ন্যায্যতার প্রশ্নটি সামনে আসে। একজন নাগরিককে কর ব্যবস্থায় আনতে সরকার যখন কর শনাক্তকরণ নম্বর গ্রহণ ও আয়কর বিবরণী দাখিলকে উৎসাহিত করে, তখন সেই কর-অনুগত্যের কোনো বাস্তব আর্থিক সুবিধা না থাকলে ভবিষ্যতে এর প্রণোদনা কতটা কার্যকর থাকবে? আরও বড় প্রশ্ন হলো লভ্যাংশের ওপর করের সামগ্রিক বোঝা।
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার কিনলেন। তিনি শুধু একটি শেয়ার কিনছেন না; তিনি ওই কোম্পানির ব্যবসার একজন অংশীদার বা মালিকানার অংশীদার হচ্ছেন। কোম্পানি ব্যবসা শেষে মুনাফা অর্জন করে এবং সেই মুনাফার ওপর কোম্পানি পর্যায়ে আয়কর প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানটির প্রযোজ্য আইনগত করহার ৪৫ শতাংশ হলেও অন্যান্য কর ও কর-সংক্রান্ত দায় বিবেচনায় কোম্পানির কার্যকর করের বোঝা ৫৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এরপর কোম্পানি কর-পরবর্তী মুনাফা থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান করে। কিন্তু সেই লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীর হাতে পৌঁছানোর আগে আবার ১৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে নেওয়া হয়।
একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝা যাক। ধরা যাক, কোম্পানিটি ১০০ টাকা মুনাফা অর্জন করল এবং সব ধরনের কর বিবেচনায় কোম্পানি পর্যায়ে কার্যকর করের পরিমাণ ৫৫ টাকা। তাহলে অবশিষ্ট থাকে ৪৫ টাকা। এই ৪৫ টাকা যদি লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারকে দেওয়া হয়, তাহলে তার ওপর ১৫ শতাংশ অর্থাৎ ৬ টাকা ৭৫ পয়সা উৎসে কর কাটা হবে। ফলে বিনিয়োগকারীর হাতে থাকবে মাত্র ৩৮ টাকা ২৫ পয়সা।
অর্থাৎ ১০০ টাকা কর-পূর্ব কোম্পানি মুনাফার বিপরীতে কোম্পানি ও শেয়ারহোল্ডার পর্যায়ে মোট করের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১ টাকা ৭৫ পয়সা।
অবশ্যই আইনগতভাবে কোম্পানি এবং শেয়ারহোল্ডার দুটি পৃথক করদাতা। তাই একে সরাসরি একই ব্যক্তির ওপর দ্বৈত কর বলা ঠিক হবে না। কিন্তু অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে একই কোম্পানির মুনাফা প্রথমে কোম্পানি পর্যায়ে এবং পরে লভ্যাংশ বিতরণের সময় আবার করের আওতায় আসছে। ফলে অর্থনৈতিক দ্বৈত করের প্রশ্নটি ওঠা স্বাভাবিক।
এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানকারী ভালো কোম্পানির শেয়ারে। একজন বিনিয়োগকারী যখন কোনো শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তখন শুধু শেয়ারপ্রতি আয় বা নিট সম্পদমূল্য দেখেন না; তিনি দেখেন কর-পরবর্তী হাতে পাওয়া প্রকৃত আয়। লভ্যাংশের ওপর কর বাড়লে প্রকৃত লভ্যাংশ-আয় কমে যায়। তখন বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারের বিকল্প হিসেবে ব্যাংক আমানত, সরকারি সিকিউরিটিজ কিংবা অন্যান্য স্থির আয়ের বিনিয়োগের সঙ্গে প্রকৃত রিটার্ন তুলনা করবেন।
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার যখন দীর্ঘদিন ধরে তারল্য সংকট, বিনিয়োগকারীর আস্থার ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের স্বল্পতার সঙ্গে লড়ছে, তখন লভ্যাংশভিত্তিক বিনিয়োগের আকর্ষণ আরও কমিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত—সেটি নীতিনির্ধারকদের গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
সমাধান অবশ্যই কর কমানোই একমাত্র পথ নয়। বরং করনীতিতে কর-অনুগত্যের জন্য কার্যকর প্রণোদনা তৈরি করা যেতে পারে। যেমন—কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী এবং নিয়মিত আয়কর বিবরণী দাখিলকারী বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশের ওপর ৫ শতাংশ এবং কর শনাক্তকরণ নম্বর না থাকা বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপের ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে একদিকে নিয়মিত করদাতারা উৎসাহিত হবেন, অন্যদিকে কর শনাক্তকরণ নম্বর গ্রহণ ও কর-অনুগত্যের প্রবণতা বাড়তে পারে।
সরকারের রাজস্ব প্রয়োজন—এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু একটি ভালো করনীতি শুধু কত টাকা কর আদায় হলো, তা দিয়ে বিচার করা যায় না। দেখতে হবে, সেই করনীতি বিনিয়োগ, সঞ্চয়, শেয়ারবাজার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর কী প্রভাব ফেলছে।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু বাজার নিয়ন্ত্রণ বা নীতিগত সংস্কার যথেষ্ট নয়; বিনিয়োগের কর-পরবর্তী আয়কেও আকর্ষণীয় রাখতে হবে।
রাজস্ব সংগ্রহ জরুরি। কিন্তু রাজস্ব আহরণের এমন পদ্ধতি আরও জরুরি, যা বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত না করে বরং বিনিয়োগ বাড়ায়। শেয়ারবাজারকে শক্তিশালী করার পথে করনীতি যেন বাধা নয়, বরং সহায়ক শক্তি হয়—এটাই হওয়া উচিত নীতিনির্ধারকদের মূল বিবেচনা।
লেখক পরিচিতি: মো. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ফেলো মেম্বার অব আইসিএমএবি
ইমেইল: sajjad.hossain@squaregroup.com
পাঠকের মতামত:
- ইউনাইটেড পাওয়ারের সাবসিডিয়ারির লভ্যাংশ ঘোষণা
- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৪০ শতাংশ
- ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ২৭ শতাংশ
- সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- শমরিতা হসপিটালের ইপিএস বেড়েছে ২০ শতাংশ
- শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষনা
- তিতাসে দুই কূপ খননে ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা
- ভারতে বন্ডের সুদে উৎসে কর ছাড়
- আসছে ‘থ্রি ইডিয়ট্স’-এর সিক্যুয়েল
- নিরবে ধংসের পথে আরেক ব্যাংক, ঝুঁকিতে গ্রাহকদের আমানত
- ১৮ বলে ৪৬ রান তুলে ভারতকে জেতালেন তিলক
- আফগানিস্তানের উত্থান ইংল্যান্ডের পতন
- ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি পণ্য ফ্রি পেলেন খুলনার গৃহিণী
- টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
- বাংলাদেশের পুরো বাজারের চেয়ে বড় জিয়োর আইপিওতে আবেদন
- চিত্রনাট্যের বাইরে ঐশ্বরিয়াকে ছুঁয়ে বকুনি খান সালমান
- ব্রুকের ২০২ রানে ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড
- ধীরের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে রেকর্ড গড়ে জিতল ভারত
- সতর্কবার্তা পেয়েও ঠেকাতে পারেনি এসবিআই : তথ্য ফাঁস ৩,৮৯৭ গ্রাহকের
- ১০০ মিনিটেই পূর্ণ সাবস্ক্রাইবড ৩০ হাজার কোটি রুপির আইপিও
- খেলাপি আদায়ে কৃষি ব্যাংকের অগ্রগতি, মুনাফার আশা আগামী বছর
- তুরাগ রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ১৮৪ কোটি টাকার ঋণ
- শ্রীপুর টাউনশিপ বন্ড: নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিএসইসি
- এসবিআইয়ের ৩.৭৫ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি
- ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন, সরছেন বিদেশীরা
- তোয়ালে পড়ে যাওয়ায় বোল্ড হয়েও আউট হলেন না বেনেট
- গোলকিপারদের ব্যালন ডি’অর জয়ের অপেক্ষা ৬৩ বছরের
- দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি শুরু
- জিকিউ বলপেনের বকেয়া কর-ভ্যাট ১৪ লাখ টাকা
- বিজিআইসির ইপিএস বেড়েছে ১ পয়সা
- হারের পর তামিমের বার্তা কঠোর পরিশ্রম ও দেশের প্রতিনিধিত্ব
- এক ইউরোতে মেসি–রোনালদোকে ভোট দেওয়ার সুযোগ
- লাফার্জহোলিসমের ব্যবসায় ধস : অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা
- লুজারের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- গেইনারের শীর্ষে আইসিবি সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- ব্লক মার্কেটে ২৮ কোটি টাকার লেনদেন
- ৭ প্রতিষ্ঠানকে ঘাটতি পূরণের সময়, ৪টির কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত
- লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
- কমোডিটি ডেরিভেটিভস ব্রোকার হচ্ছে ৬ প্রতিষ্ঠান
- চার ব্রোকারেজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা
- আইপিও ছাড়াই তালিকাভুক্তি, শেয়ারের দামে ২৫% ছাড় বাধ্যতামূলক
- উত্থান দিয়ে ৫ দিনের ছুটিতে শেয়ারবাজার
- ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিল বিতরণে ধীরগতি
- এজিএমের একদিন পরই ওয়ালটনের লভ্যাংশ বিতরণ
- পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ
- আবারও শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- দুলামিয়া কটনের লভ্যাংশ ঘোষনা
- কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মতিন স্পিনিং মিলসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- অস্ত্রোপচার শেষে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মাঠে ফেরার আশা মার্তিনেজের
- তদন্তের মধ্যেই মাঠে ফিরছেন রিজওয়ান
- আইপিওর টাকায় কড়াকড়ি করছে বিএসইসি
- দরপতনে বিপর্যস্ত শেয়ারবাজার, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান বিনিয়োগকারীরা
- ব্লক মার্কেটে ১২ কোটি টাকার লেনদেন
- লুজারের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- ডিএসইতে লেনদেন ৪০০ কোটির নীচেই
- গেইনারের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- লেনদেনের শীর্ষে সোনালী আঁশ
- তৃতীয় প্রান্তিকে চার্টার্ড লাইফের উদ্বৃত্ত বেড়েছে ৫ গুণ
- দুই দিনেই ২১০ কোটি রুপি আয় ‘জেলার ২’-এর
- টানা চার দিন ঊর্ধ্বমুখী ভারতীয় শেয়ারবাজার
- ৩০ হাজার কোটি টাকার আইপিও আনছে মুকেশ আম্বানির জিয়ো
- মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি, প্রায় ৭ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা
- বিশ্বের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের পাঁচটিই চীনের
- রেনাটার লভ্যাংশ ঘোষণা
- সাফ থেকে ভারতের সরে যাওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল কর্তৃপক্ষ
- লিটনকে ছাড়াই সিরিজ শুরু বাংলাদেশের মিরাজও বাইরে
- লুজারের শীর্ষে বিআইএফসি
- গেইনারের শীর্ষে ফারইস্ট নিটিং
- চলতি বছরের সর্বনিম্ন লেনদেন দেখলো ডিএসই
- ব্লক মার্কেটে ১৫ কোটি টাকার লেনদেন
- আজও লেনদেনের শীর্ষে ইভিন্স টেক্সটাইল
- তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফার ঘাটতি কাটিয়ে উদ্বৃত্তে ডেল্টা লাইফ
- প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের সম্পদের মূল্য বাড়ল ৯৪০ কোটি টাকা
- গ্যাস সংকটে আরএকে সিরামিকের আরেক উৎপাদন লাইন বন্ধ
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- ইউনাইটেড পাওয়ারের সাবসিডিয়ারির লভ্যাংশ ঘোষণা
- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৪০ শতাংশ
- ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ২৭ শতাংশ
- সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- শমরিতা হসপিটালের ইপিএস বেড়েছে ২০ শতাংশ
- শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষনা
- নিরবে ধংসের পথে আরেক ব্যাংক, ঝুঁকিতে গ্রাহকদের আমানত













.jpg&w=50&h=35)
