আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে মাকসুদ কমিশনের অযোগ্যতার ভয়াবহ তথ্য
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক : ঢাকার পুঁজিবাজারে প্রতিনিয়তই কমছে সূচক। বাজারে ভালো শেয়ার থাকলেও সেগুলোর দামও কমছে। মার্কেটের ধারাবাহিক পতন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান থন্দকার রাশেদ মাকসুদ আজরাইল রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। যিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কমিশনের দূরত্ব হয়েছে। ফলে কমিশনের ওপর তারা আস্থা হারিয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কমিশনকে উৎখাত করতে আন্দোলন করেছে। যে কমিশনকে বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই কমিশন নিজের শৃঙ্খলাই ফিরিয়ে আনতে পারেনি জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেতে এ ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে ঢাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন বলেন, আগের সরকার শেয়ারবাজারে লুটপাট করেছে। কিন্তু এই সরকারের যাওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও তারা শেয়ারবাজার ঠিক করেনি।
২০১৬ সালের ২০ জুন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৭৬৬ জন থাকলেও গত ২৫ মে এই সংখ্যা ১৬ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ছিল ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৮৯৫ জন।
গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর তিন দিন দেশে কোনো সরকার ছিল না। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হতে যাচ্ছে-এমন খবরে পুঁজিবাজারের সূচক বেড়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর থেকে আবার তা কমতে থাকে।
কতটা কমেছে শেয়ারের দাম :
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে সোমবার সকালে বিষণ্ন মনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী মোবারক হোসেন। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে সব হারিয়েছেন তিনি। তার কাছে এখন সবকিছুই অন্ধকার মনে হচ্ছে।
ডয়চে ভেলেকে মোবারক বলেন, দেড় বছর আগে একটি শেয়ার ৩৪৪ টাকায় কিনেছিলাম। ফ্লোর প্রাইজ তোলার আগেও দাম ছিল ২৩৭ টাকা। এখন এই শেয়ারের দাম নেমে এসেছে ৬৭ টাকায়। জিপিএইচ ইস্পাতের ফ্লোর প্রাইজ ৩৪ টাকা থাকলে এর দাম এখন ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় নেমেছে। আমার কেনা সব শেয়ারের দাম তলানিতে নেমেছে। আমরা পরিচিত একজনের এক কোটি টাকার শেয়ার আছে, তিনি এখন ২০ লাখও পাবেন না। সবই লুটপাট হয়ে গেছে।
শরিফুল ইসলাম নামে আরেক বিনিয়োগকারী বলেন, সাইফ পাওয়ারের ৩০ টাকার শেয়ারের দাম এখন ৭ টাকা। ভালো-মন্দ সব শেয়ারের দামই কমেছে। আমার যতগুলো শেয়ার আছে সবগুলোর দাম কমেছে, আমি এখন অনেকটা নিঃস্ব। সামনে কি আছে তা কেউ বলতে পারবে না।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে ঢাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন বলেন, আগের সরকার শেয়ারবাজারে লুটপাট করেছে। কিন্তু এই সরকারের যাওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও তারা শেয়ারবাজার ঠিক করেনি। কে ক্ষমতায় থাকবে আর কে ক্ষমতায় থাকবে না সেটি দেখে বড় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করবে না, এটাই স্বাভাবিক। এই সরকার আর কতদিন ক্ষমতায় থাকবে তা কেউ বলতে পারছে না।
উদ্যোগ নেই সরকারে, দায় নিয়ন্ত্রণ কমিশনের :
পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় পুঁজিবাজারকে না রাখা, নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হিসেবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অদক্ষতা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আনতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়াকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট তৈরি হওয়ার জন্য আগের সরকারের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন মিনহাজ মান্নান৷ তিনি বলেন, ‘‘নতুন কমিশন বেশি ক্ষতি করেছে। তারা বাজারের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে পারেননি। তারা দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এখানে জরুরি ভিত্তিতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার ছিল, তা নেওয়া হয়নি। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কমিশনের দূরত্ব রয়েছে। ফলে কমিশনের ওপর তারা আস্থা হারিয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কমিশনকে উৎখাত করতে আন্দোলন করেছে। যে কমিশনকে বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই কমিশন নিজের শৃঙ্খলাই ফিরিয়ে আনতে পারেনি। বিনিয়োগকারীদের আস্থা কীভাবে পাবে? একটি তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে রাতারাতি ব্যাপক পরিমাণ জরিমানা করায় বড় বিনিয়োগকারীদের মনে ভয় ধরেছে। ''
বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন বলেন, ‘‘পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা ভাষাহীন হয়ে গেছে। গত ১৫ বছরের পুঁজিবাজারকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছে। মুহাম্মদ ইউনুস সরকার গঠনের পর মানুষ আশা করেছিল পুঁজিবাজার ভালো হবে। গত ৫ আগস্টের পর যখন কমিশনে চেয়ারম্যান ছিলেন না তখন ইনডেক্স ভালো বেড়েছিল। আমরা ধারণা করেছিলাম পুঁজিবাজার এভাবেই চলবে এবং বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি ফিরে পাবেন।''
বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সমালোচনা করে ইকবাল হোসেন বলেন, ‘‘মার্কেটের ধারাবাহিক পতন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে তিনি আজরাইল রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি দায়িত্বে নেওয়ার পর পুঁজিবাজারের ইনডেস্ক ১২০০ পড়ে গেছে। পুঁজিবাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার মতো ক্যাপিটাল লস হয়েছে।''
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকারেজদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-র সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘কনফিডেন্সের অভাবে বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখা যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০ শতাংশ ইনডেক্স হারিয়েছি।''
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিন মনে বলেন, ‘‘পুঁজিবাজারে কোম্পানি তালিকাভুক্তি নিয়ে কারসাজি হলেও আগের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তা দেখভাল করেনি। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওপর সেসব শেয়ার চাপিয়ে দেওয়া হয়। এখন বিনিয়োগকারীরা তার খেসারত দিচ্ছেন।''
আল আমিন বলেন, ‘‘গত ১৬ বছরে পুঁজিবাজারে যেসব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে অডিটরেরা সঠিকভাবে ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট অডিট করেননি। যেসব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এগুলোকে নিয়ে এসেছে তারাও ঠিকমতো তদারকি করেনি। ফলে নাম সর্বস্ব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। কোম্পানির গ্রোথ না করে তারা একটি কাগজ বিক্রি করেছে। তাদের উদ্দেশ্যে ছিল শেয়ার বিক্রি করে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, এ জন্য বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’’
কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে কারসাজি :
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে কারসাজি হলেও তখনকার নিয়ন্ত্রণ কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এখন এসব কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা সামনে আসার পর সেগুলোর শেয়ারের দাম পড়ে গেছে। অন্যদিকে ভালো কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও প্রতিনিয়ত কমছে।
কমিশন সূত্র জানায়, কোম্পানি তালিকাভুক্তি থেকে শুরু করে পুঁজিবাজারে বিভিন্ন কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিগত কমিশনের সময় অভিযোগ দাখিল করা হয়। কিন্তু ওই কমিশন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান কমিশন আগের অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ায় বাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নতুন করে বড় বিনিয়োগকারীরা আর আসছে না। আগে যারা বিনিয়োগ করেছিলেন তারাও সরে যাচ্ছেন। বিনিয়োগকারীদের মনে ভয় ধরেছে। বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। আগে বাজার চাঙা করে নিয়ন্ত্রণ কমিশন এসবে হাত দিলে ভালো হতো।
ঘুড়ে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা :
সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘গত ১৫ বছর ধরে পুঁজিবাজারে সুষ্ঠুভাবে কিছুই চলেনি। এখানে লিস্টিং থেকে শুরু করে করপোরেট গভর্নেন্স, অ্যাকাউন্টেবিলিটি, ট্রেডিং সবকিছুই নন কমপ্লায়েন্ট ছিল। ...গত ১০ বছরে ৭০ শতাংশ কোম্পানি জাঙ্ক স্টক হয়েছে, তারা ডিভিডেন্ট দেয়নি, তাদের ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট স্বাস্থ্যবান নয়। ফ্লোর প্রাইজের নামে শেয়ারের একটি কৃত্রিম দাম ধরে রাখা হয়েছে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হয়েছে। এখন প্রধান উপদেষ্টা পাঁচটি বিষয় বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারে একটি পজিটিভ টোন দেখা যাচ্ছে, এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশা জাগাবে। কারণ পুঁজিবাজারে পারসেপশনটা ম্যাটার করে। বিনিয়োগকারীরা রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চায়। কিন্তু যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়, সেখানে বিনিয়োগকারীরা কনসার্ন হয় এবং কনশাস হয়।''
এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দিকে মনযোগ দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন আল আমিন৷ তিনি বলেন, ‘‘ভালো শেয়ার তো এখনো আছে। সবাই বাজর থেকে বেরিয়ে গেলে হবে না। ১৫ বছরের ক্ষত খুব অল্প সময়ে ঠিক করা সম্ভব না। যে শেয়ারের দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল হয়তো সেটিই ছিল অতিরিক্ত দাম, ওই শেয়ার দেড় শ টাকায় বিক্রি হয়েছে।’’
অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় শেয়ার বাজার ছিল না দাবি করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, ‘‘তারা অন্য কাজ, দাবি-দাওয়া মেটাতেই ব্যস্ত রয়েছে। বাজার আগেই পড়ে ছিল এবং এই বাজার ধ্বংসের জন্য যে আগের সরকার দায়ী সেটি কম-বেশি সবাই বিশ্বাস করেন। পুঁজিবাজারের পতনের সঙ্গে সরকার নিজের পতনের সম্পর্ক খুঁজে পায়নি। ফলে পুঁজিবাজার সরকার স্থিতিশীল রাখতে চাইলেও তাদের অগ্রাধিকারে নেই। দেশের অর্থনীতি, ভাবমূর্তি ও সরকারের প্রতি জনগণের মনোভাবে ক্ষতি হয়েছে। দেরিতে হলেও সরকার অনুধাবন করছে কিন্তু খুব বেশি দেরি হয়ে গেছে।''
পাঠকের মতামত:
- 'অন্যের কথায়' শেয়ার কেনেন অধিকাংশ খুচরা বিনিয়োগকারী: বিএসইসি চেয়ারম্যান
- বাজার শক্তিশালী হলে বিদেশিরা আগ্রহী হবেন, রোডশোর প্রয়োজন নেই
- মার্জিন বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ডিবিএ
- বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৯৩ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ১৮ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- মার্জিন বিধিমালা এখনও চূড়ান্ত নয়, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান বিএসইসির
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
- অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি, আল-মদিনা ফার্মার শেয়ার তদন্তের নির্দেশ
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে
- শেয়ারবাজারে ৫ কার্যদিবস পর পতন
- লুজারের শীর্ষে উসমানিয়া গ্লাস
- ফরচুন সুজের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- গেইনারের শীর্ষে টেকনো ড্রাগস
- দুই কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ
- ব্লক মার্কেটে ২৮ কোটি টাকার লেনদেন
- মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে মহেশপুরে সচেতনতামূলক র্যালি
- লেনদেনের শীর্ষ টেকনো ড্রাগস
- বিআইএফসির লোকসান বেড়েছে ৪ শতাংশ
- সেনা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস কমেছে ২ শতাংশ
- উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের পর্ষদে ফেরাতে হাইকোর্টের অনুমতি চাইবে পিপলস লিজিং
- আল-আরাফাহ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরল উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে
- গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপেকে টপকে শীর্ষে মেসি
- বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব, নজরে বন্দর ও লজিস্টিকস খাত
- আইপিও অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর দাবি
- আর্জেন্টিনা জেতায় বিয়ে করতে যাচ্ছেন পরীমণি!
- টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা
- লুজারের শীর্ষে জুট স্পিনার্স
- শেয়ারবাজারে টানা ৫ কার্যদিবস উত্থান
- গেইনারের শীর্ষে এসিআই ফর্মূলা
- ব্লক মার্কেটে ৪৭ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ বিএসআরএম স্টিল
- প্রাইম ইসলামী লাইফের ঘাটতি কমেছে, বেড়েছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স তহবিল
- প্রগতি লাইফের নেট প্রিমিয়াম বেড়েছে ২৪%
- এমএল ডাইংয়ের ৬২% দর বৃদ্ধি
- ডেনিম উৎপাদন সক্ষমতা ৬০ মিলিয়ন গজে উন্নীত করেছে এনভয় টেক্সটাইল
- স্বপ্নে ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এসিআই
- ইসলামিক ফাইন্যান্সের লোকসান কমেছে ৯৪ শতাংশ
- গ্রামীণফোনের অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা
- লভ্যাংশ দেবে না পদ্মা লাইফ
- শাইনপুকুর সিরামিকসের কাঁচামাল আমদানিতে এলসি খোলার অনুমোদন
- বন্ধ উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে ডিএসই
- স্ক্রিপ নেটিং চালুর অনুমোদন
- রয়্যাল ফুটওয়্যারের কিউআইও অনুমোদন
- লুজারের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
- গেইনারের শীর্ষে আমান ফিড
- ব্লক মার্কেটে ৩০ কোটি টাকার লেনদেন
- দেশ গার্মেন্টসের ৬০% দর বৃদ্ধি
- লেনদেনের শীর্ষ লাভেলো আইসক্রীম
- শেয়ারবাজারে টানা ৪ কার্যদিবস উত্থান
- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ৭৪% দর বৃদ্ধি
- এসকে ট্রিমসের লোকসান কমেছে ৩৮ শতাংশ
- সিএপিএম আইবিবিএল ফান্ডের ৯৬% দর বৃদ্ধি
- এটলাস বাংলাদেশের ৮৮% দর বৃদ্ধি
- লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায় ৬০ বীমা কোম্পানি, গ্রাহকদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
- লুজারের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
- গেইনারের শীর্ষে দেশ গার্মেন্টস
- ব্লক মার্কেটে ৫২ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ মালেক স্পিনিং
- সূচকে সামান্য উত্থান, লেনদেনে পতন
- মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের এক মাসে ২০% দর বৃদ্ধি
- আমরা নেটওয়ার্কের এক মাসে ১৪% দর বৃদ্ধি
- অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধিতে দুই কোম্পানির লেনদেন স্থগিত
- ফারইস্ট নিটিংয়ের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- বিজিআইসির ইপিএস বেড়েছে ১ পয়সা
- আমরা টেকনোলজিসের আড়াই পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষনা
- তিন ব্যাংকে ১৬২ কোটি টাকার এফডিআর, নথি চাইল দুদক
- পাঁচ ব্যাংকের অনিয়মে ফরেনসিক অডিট চলছে
- পারল না ‘মোয়ানা’
- বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ল ‘মাইকেল’, আয় ছাড়াল ১০০ কোটি ডলার
- লুজারের শীর্ষে এপোলো ইস্পাত
- গেইনারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আধিপত্য
- ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোটি টাকার লেনদেন
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ














