ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ফরচুন সুজের পরিচালক–কর্মকর্তারা ৭.২০ কোটি টাকা জরিমানা মুখে

২০২৬ মে ১৩ ১৮:৩০:২৯
ফরচুন সুজের পরিচালক–কর্মকর্তারা ৭.২০ কোটি টাকা জরিমানা মুখে

নগদ লভ্যাংশ ও তালিকাভুক্তি ফি বাবদ দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ফরচুন সুজ লিমিটেড–কে এক মাসের মধ্যে ৪ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না হলে কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের ১০১৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরদিন বুধবার কমিশনের পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিএসইসি জানায়, ২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ফরচুন সুজ শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত মোট ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার নগদ লভ্যাংশের মধ্যে ৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এখনো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। একই সঙ্গে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)–এর কাছে ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত পূর্ববর্তী তিন বছরের ১৮ লাখ ২৯ হাজার টাকার তালিকাভুক্তি ফি বকেয়া রেখেছে।

কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, আদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে বকেয়া নগদ লভ্যাংশ ও লিস্টিং ফি মিলিয়ে মোট ৪ কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় কোম্পানিটির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মোট ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হবে, যা ৭ দিনের মধ্যে কমিশনে জমা দিতে হবে।

জরিমানার প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান–কে ৫ কোটি টাকা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোকসানা রহমান–কে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি পরিচালক মো. আমানুর রহমান, রবিউল ইসলাম এবং সাবেক পরিচালক মো. খসরুল ইসলাম–এর প্রত্যেককে ৫০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হবে। প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জামিল আহমেদ চৌধুরী–কে ৫০ লাখ টাকা, সাবেক কোম্পানি সচিব রিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া–কে ৫ লাখ টাকা এবং বর্তমান কোম্পানি সচিব মো. নাজমুল হোসেন–কে ৫ লাখ টাকা জরিমানার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসি মনে করছে, ঘোষিত লভ্যাংশ পরিশোধে ব্যর্থতা ও নির্ধারিত তালিকাভুক্তি ফি বকেয়া রাখার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং প্রচলিত সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। এসব কারণেই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে
Close
Facebook Facebook-এ ফলো করুন