ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

স্বতন্ত্র পরিচালকেরা স্টক এক্সচেঞ্জের উপকারে না আসলেও অনিয়মে আছে

২০২৪ জুন ০৬ ০৯:১৩:১০
স্বতন্ত্র পরিচালকেরা স্টক এক্সচেঞ্জের উপকারে না আসলেও অনিয়মে আছে

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা আলাদা করার মতো অদ্ভুত এক জিনিস করা হয়েছে। ভালো উদ্দেশ্যে করা হলেও এতে শেয়ারবাজারের কোন উপকার নেই। বরং স্বতন্ত্র পরিচালকদের পেছনে নিয়মিত লাখ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এছাড়া পর্ষদে সবাই সবার মতো পছন্দের মানুষকে ঢুকানোর সুযোগ পেয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সবচেয়ে বেশি পছন্দের লোকজন নিয়োগ দিয়ে থাকে। যা করতে গিয়ে অসৎ ও অযোগ্য ব্যক্তিরাই এখন স্টক এক্সচেঞ্জের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের উদ্দেশ্য ছিল ব্রোকারদের প্রভাব কমিয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগ সম্পূর্ণ পেশাদার ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হবে। এ পেশাদার ব্যক্তিদের বাজারের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না। ফলে এখানে কোনো অনিয়ম হলে ব্যবস্থাপনা বিভাগ স্বাধীনভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এ কারণে স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে ১৩ জন পরিচালকের মধ্যে ৭ জনই স্বতন্ত্র পরিচালক দেওয়া হয়। বাকি ৬ জনের মধ্যে ৪ জন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক, ১ জন কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের মধ্য থেকে এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদাধিকার বলে পর্ষদে থাকেন।

উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই নিয়মিত পরিচালনা পর্ষদের সভাসহ বিভিন্ন কমিটির মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যয়ের পাল্লা কম না। প্রতি বোর্ড মিটিংয়ে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ উপস্থিত পরিচালকদের ফিবাবদ ১০ হাজার করে সম্মানি দেয়। এছাড়া ডিএসই কমিটি মিটিংয়ে উপস্থিত পরিচালকদের ১০ হাজার টাকা ও সিএসই ৫ হাজার টাকা করে সম্মানি ফি দেয়। একইসঙ্গে ডিএসইর চেয়ারম্যানকে গাড়ি, ড্রাইভার, জ্বালানি খরচ দেওয়া হয়। আর সিএসইর চেয়ারম্যান নেন মাসিক ৩০ হাজার টাকার সম্মানি। কিন্তু এখনো মিটিং হয় গতানুগতিক। যাতে উন্নতি হয় না স্টক এক্সচেঞ্জের।

পর্ষদে ওই ৭ জন স্বতন্ত্র হলেও স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা নেই। তবে থেমে নেই তাদের পেছনে ব্যয়। এরমধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে থাকার সুবাদে শেয়ার ব্যবসা করে সুবিধা নিচ্ছেন কেউ কেউ। যাদের ১ জন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। যিনি বিধি লঙ্ঘন করে শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। শুধু তাই নয়, এটি করতে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বেশিমাত্রায় লাভবান হওয়ার জন্য কারসাজিতে সহায়তা করেছেন।

আরও পড়ুন......

এখনো এফডিআর সুদে ভর করে চলে স্টক এক্সচেঞ্জ

পরিচালকদের মিটিংয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যয় অনেক : কিন্তু ফলাফল নেই

বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষার নামে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টের এই অধ্যাপককে ডিএসইর পর্ষদে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

যিনি সক্রিয় শেয়ার ব্যবসায়ী। যা করতে গিয়ে ৩টি অপরাধ করেছেন। ১. তিনি স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে থেকে বেআইনি ও অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন। ২. কারসাজির কারণে যেসব কোম্পানিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, এর অধিকাংশের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন এবং ৩. নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়তায় পর্ষদ ভেঙে যেসব কোম্পানি দখল করা হয়েছে, এর সবকটি থেকেই তিনি আগাম তথ্য জেনে শেয়ার লেনদেন করে লাভবান হয়েছেন।

যগান্তুরের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে -গ্রিনল্যান্ড ইক্যুইটি, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ এবং ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ। গ্রিনল্যান্ড ইক্যুইটিতে বিও অ্যাকাউন্টটির নম্বর ১২০২১৯০০৬৬৪০৩৫৬১। ক্লায়েন্ট কোড ই-৪২৮। তবে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। স্টক এক্সচেঞ্জে পর্ষদে যোগদান করার ৬ মাস পর ২০২৩ সালের ৫ জুলাই এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিও অ্যাকাউন্টটি খোলার সময় সোনালী ব্যাংকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শাখার ২০০২৭১৭৫০ নম্বর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ২৬৯৬৪০৬৬৮১৪০৫। করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর ৮৮২৪০১৬৮৮৭৭৮। ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজে বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর ১২০৪৪৯০০৭৩৫৫২৬৭৮। ক্লায়েন্ট কোড ১৩৫৯৪। বর্তমানে এটি সচল রয়েছে। আইআইডিএফসিতে বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর ১২০৪৪৮০০৬৯০৫১৫৪১। ক্লায়েন্ট কোড ০৮০২৩। এই বিও অ্যাকাউন্টের জন্য সিটি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল ব্র্যাঞ্চের ২৪০১৯৬১২৫৭০০১ নম্বর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে।

এদিকে শেয়ারবাজারে পর্ষদ ভেঙে কোম্পানি দখল করা নিয়ে ১২ মে রিপোর্ট প্রকাশ করে যুগান্তর। সেখানে এমারেল্ড অয়েলসহ বেশ কিছু কোম্পানিতে কারসাজির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এসব কোম্পানির কারসাজিতে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওনের সম্পৃক্ততা মিলেছে। এমারেল্ডের শেয়ার ১৬ টাকা থেকে কেনা শুরু করেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। পরে তা এক বছরের মধ্যে ১৮০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। দ্রুত এভাবে কম সময়ের ব্যবধানে প্রায় ১২ গুণ বেড়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক ঘটনা। আর অস্বাভাবিক ঘটনার পেছনে যারা কলকাঠি নাড়েন, তাদের সমর্থনে যা করার, তা করেছেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি এখানে নিজে লাভবান হয়েছেন বেশ কৌশল করে। যেমন: ১৬ টাকায় শেয়ার কেনার ৫ মাসের ব্যবধানে যখন তা ৩৫ টাকায় পৌঁছে যায়, তখন বিক্রি করেন ১০ হাজার শেয়ার। ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা লাভ করেন। পরে ৪১ টাকা করে বিক্রি করেন ৩ হাজার শেয়ার। এর কিছুদিন পর বিক্রি করেন ১২২ টাকা করে। এভাবে তিনি কারসাজির এ শেয়ার বিক্রি করে ব্যক্তিগতভাবে অস্বাভাবিক লাভবান হয়েছেন, যা একজন পরিচালক হিসাবে করতে পারেন না। এটি আমানতের খেয়ানতের শামিল। আবার অন্যার্থে অফিশিয়াল অপরাধ।

আলোচ্য সময়ে তিনি ২৩ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি শেয়ার লেনদেন করেছেন। যার মোট মূল্য ১৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৩ টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ৬ কোটি ২২ লাখ ১ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকার শেয়ার। এক্ষেত্রে এমারেল্ড ওয়েলের ২৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছেন। এছাড়াও সিএনএ টেক্সটাইলের ২৪ লাখ ৭৪ হাজার, সোনালী পেপারের ২ কোটি ৬১ লাখ ৯৫ হাজার, ফরচুন শুজের ১ কোটি ৯১ লাখ ২৯ হাজার, জেনেক্স ইনফোসিসের ১ কোটি ২৬ লাখ ১৩ হাজার, নিটল ইন্স্যুরেন্সের ২৫ লাখ ৩৮ হাজার, আলহাজ্ব টেক্সটাইল ৫ লাখ ২৮ হাজার, অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার, এশিয়ান ইন্স্যুরেন্স ১ কোটি ২৯ লাখ ৩৭ হাজার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ১ লাখ ৪ হাজার, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ২৭ লাখ ৭৫ হাজার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ৮ লাখ ২৭ হাজার, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স ৮৯ লাখ ৪০ হাজার, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ১৩ লাখ ২০ হাজার, ফাস ৪ লাখ ২১ হাজার, ফুয়াং ফুড ২৮ লাখ ৮৩ হাজার, জেনারেশন নেক্সট ৪ লাখ ৫২ হাজার, গ্রামীণফোন ২ লাখ ৫ হাজার, জিএসপি ফাইন্যান্স ৬ লাখ ১৭ হাজার, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ৮৮ হাজার ১৪০, মালেক স্পিনিং ৩২ লাখ ৮০ হাজার, নাহি অ্যালুমিনিয়াম ১ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার, ওয়ান ব্যাংক ১ লাখ ১৪ হাজার, ওরিয়ন ফার্মা ১০ লাখ ৭৪ হাজার, পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ৯ লাখ ৫২ হাজার এবং রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের ১৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছেন।

স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন (ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা আলাদাকরণ) আইন অনুসারে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদসহ ৪ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয় বিএসইসি। এর তিন মাস পর ১৭ মে ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ থেকে এমারেল্ড অয়েলের ৫শ শেয়ার কেনেন তিনি। আবার ১১ জুলাই এমারেল্ডের ৬ হাজার ১৫০টি শেয়ার কেনেন। যার মূল্য ছিল ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২২৫ টাকা। একই অ্যাকাউন্টে ১৯ অক্টোবর সিএনএ টেক্সটাইলের ৭ হাজার শেয়ার কেনেন। আবার ওই বছরের ৬ জুন অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেনের ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করেন। যার মূল্য ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার। এক মাস ৪ দিন পর আসোসিয়েটেড অক্সিজেনের ৬০ হাজার শেয়ার বিক্রি করেন। যার মূল্য ২১ লাখ ৯৪ হাজার। চলতি বছরের ২২ এপ্রিল সোনালী পেপারের ৫ হাজার ৭৯২টি শেয়ার ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৭ টাকায় বিক্রি করেন।

এদিকে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা জমা দেয় এমারেল্ড অয়েল, যা অত্যন্ত গোপনীয়। এছাড়াও এমারেল্ড ও সিএনএ টেক্সটাইলের পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে কমিশন। ডিএসইর পরিচালক হিসাবে যার পুরো খবরই আগে জানতেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। অর্থাৎ পদে থাকার কারণে কোম্পানির গোপন সংবাদ জানার সুযোগ রয়েছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি নিজের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন।

জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন বুধবার যুগান্তরকে বলেন, স্বতন্ত্র পরিচালকরা সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার লেনদেন করতে পারেন। তবে অস্বাভাবিক কিছু করছেন কি নাম তা বোঝার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জে স্টেটমেন্ট দিতে হয়। আপনি কোনো শেয়ার লেনদেন করছেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ডিএসইর পরিচালক হওয়ার পর কোনো শেয়ার কিনিনি। আগে আমার ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার শেয়ার ছিল। এখানে আসার পর আর শেয়ার কিনিনি। আগের কিছু বিক্রি করেছি।’ তিনি দাবি করেন, ‘আমার শেয়ার লেনদেনের ব্যাপারে কেউ যদি আপনাকে কোনো কথা বলে থাকে, সেটি বানোয়াট। এর কোনো ভিত্তি নেই।’ তবে এই পরিচালকের শেয়ার কেনাবেচাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ যুগান্তরের হাতে সংরক্ষিত আছে।

অন্যদিকে শেয়ারবাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কারসাজির বিষয়টি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত। এ কারণে ইতোমধ্যে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ওয়ান ব্যাংক, জেনেক্স ইনফোসিস, নিটল ইন্স্যুরেন্স, ফরচুন শুজ, বিডিকম, আইপিডিসি এবং এনআরবিসি ব্যাংকের শেয়ারে কারসাজির ঘটনায় বহুল সমালোচিত আবুল খায়ের হিরুসহ বিভিন্ন গ্রুপকে জরিমানা করেছে বিএসইসি। এর মধ্যে এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের কারসাজিতে ঘটনায় আবুল খায়ের হিরুকে ৭২ লাখ, এনআরবিসি ব্যাংকের কারসাজিতে হিরুর বোন কনিকা আফরোজকে ৩ কোটি ৭৫ লাখ, ফরচুন শুজের কারসাজির ঘটনায় হিরুর পরিবারসহ সহযোগীদের ১ কোটি ৫০ লাখ, বিডিকম অনলাইনের কারসাজির ঘটনায় ডিআইটি কো-অপারেটিভকে ৫৫ লাখ, ওয়ান ব্যাংকের কারসাজিতে আবুল কালাম মাতবরকে ৩ কোটি এবং আইপিডিসির শেয়ার কারসাজিতে আবুল খায়ের হিরু চক্রকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স শেয়ার কারসাজির ঘটনায় আরেক চক্র মো. জসিম উদ্দিনকে ১ কোটি টাকা জরিমানা করে কমিশন। কিন্তু এর সবকটি কোম্পানির শেয়ারে কারসাজির মাধ্যমে সুবিধা নিলেও শাস্তি দেওয়ার তালিকায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নাম নেই। এছাড়াও শেয়ার কারসাজিতে সাম্প্রতিক সময়ে নিটল ইন্স্যুরেন্সসহ আরও কয়েকটি কোম্পানিকে জরিমানা করেছে বিএসইসি। এ জরিমানার আগের স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। কিন্তু বড় অঙ্কের শেয়ার লেনদেন করা সত্ত্বেও রহস্যজনক কারণে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের তথ্য আড়াল করে প্রতিষ্ঠানটি।

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে