বিএসইসি নিশ্চুপ, ডিএসই আগে থেকেই নিস্ক্রিয়, সিএসই থেকেও নেই
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : গত কয়েক মাস ধরে শেয়ারবাজারে চলছে ভয়াবহ পতন। এতে করে নিয়মিত কমছে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ। যা গত ২ মাসে লাখ কোটি টাকার বেশি কমেছে। এই চরম মন্দায় নিয়মিত বাজার ছাড়ছেন হাজারো বিনিয়োগকারী। তারপরেও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কোন ভূমিকা নেই এ নিয়ে।
আগের ধারাবাহিকতায় রবিবার (০৯ জুন) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬৫.৭৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৭১ পয়েন্টে। এমন পতনে ডিএসইএক্স সূচকটি ২০২১ সালের ৫ এপ্রিলের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমে গেছে। অর্থাৎ সূচকটি বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে সর্বশেষ ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল সূচকটি রবিবারের তুলনায় কম ছিল। ওইদিন ডিএসইএক্স ছিল ৫০৮৯ পয়েন্টে।
ধারাবাহিক এই পতনে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগমূল্য কমে গেছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। এ বছরের ১৭ জানুয়ারি ডিএসইর সব সিকিউরিটিজের দাম ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। যা কমে ৯ জুন নেমে এসেছে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯ কোটি টাকায়। অর্থাৎ চলতি বছরে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। তবে প্রকৃতপক্ষে এর পরিমাণ আরও বেশি। কারন এরইমধ্যে কিছু ট্রেজারি বন্ড ও কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। যেগুলো তালিকাভুক্তিতে স্বাভাবিকভাবেই বাজার মূলধনে কয়েক হাজার কোটি টাকা যোগ হয়েছে।
শেয়ারবাজারের এমন পতনে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। যারা চোখেমূখে অন্ধকার দেখছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছাড়তে শুরু করেছেন। নিয়মিত সিকিউরিটিজ শুন্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার পোর্টফোলিও।
তবে বিনিয়োগকারীদের এমন রক্তক্ষরণেও কার্যত নিশ্চুপ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। টানা পতনে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব হয়ে মরার অবস্থা হলেও কোন কার্যকর ভূমিকা নেই বিএসইসির। যা দু-একটি ভূমিকা রাখতে চায়, সেটাও কাজে আসছে না।
অথচ অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিএসইসির এই কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পরে অসংখ্য কাজ করতে দেখা গেছে। ডিএসইর সূচক ১০ হাজারে ও লেনদেন কিভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা করা যায়, তা নিয়ে সক্রিয় ছিল। এমনকি বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনার জন্য অনেক দেশে রোড শো করেছে।
তবে চলমান বাজারের মন্দায় অনেকটা ব্যর্থ অতিতের সেই প্রাণাঞ্চল শিবলী কমিশন। এখন সূচক ও লেনদেন দেখা তাদের কাজ না বলে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বা দূরে সরে যেতে চায় এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির কর্তারা।
তবে প্রকৃতপক্ষে শেয়ারবাজারের উন্নয়নে যাদের ভূমিকা রাখা দরকার এবং যাদের দায়িত্ব, তারা অনেক আগে থেকেই নিস্ক্রিয়। শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেনের উন্নতিতে আয় বাড়ে স্টক এক্সচেঞ্জের। এটা বাড়ানো তাদেরই দায়িত্ব। কিন্তু তারা অনেকটা বিএসইসির উপরে দায়িত্ব দিয়ে বসে বসে আয় করার মতো মানসিক অবস্থায় চলে গেছে। সেটাও যদি না হয়, তাহলে ব্রোকারেজ হাউজ বা সদস্যদের দেওয়া হাজার কোটি টাকার এফডিআর তো আছেই, সেখান থেকে সুদজনিত যা আসবে, তা দিয়েই চালিয়ে নেবে।
কিন্তু ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের আগে এমন ছিল না দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। শেয়ারবাজারের যেকোন ক্রান্তিকালে রকিবুর রহমানেরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করতেন সমাধানে করণীয় নিয়ে। কিভাবে বাজারকে সমস্যা থেকে উত্তোরন করে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবতেন।
কিন্তু ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে ডিএসই পর্ষদে অধিকাংশই এখন স্বতন্ত্র পরিচালক। যাদের শেয়ারবাজার নিয়ে মাথাব্যাথা নেই। তারাতো এই বাজারে সরাসরি জড়িত না। ডিএসইর মতো একটি প্রতিষ্ঠানে আসায় তাদের মর্যাদা বেড়েছে। এছাড়া বোর্ড মিটিং ফিসহ বিভিন্নভাবে আয় হচ্ছে। এজন্য অনেকে তদবির করে নিয়োগ পেয়েছেন। এই বাজারে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব হয়ে গেলেও তাদের কিছুই যায় আসে না।
ডিএসই এখন নিস্ক্রিয় হলেও দেশের ২য় শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) শুরু থেকেই না থাকার মতো। শেয়ারবাজারের সমস্যা নিয়ে এই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষকে কখনো মাথায় চাঁপ নিতে হয়নি। বিএসইসি ও ডিএসইর উপরই সব দায়িত্ব, এমন মনোভাব নিয়েই শুরু থেকে পথ পাড়ি দিচ্ছে সিএসইর কর্তারা। যে কারনে এ বাজারটি দীর্ঘ পথচলায়ও নিজস্ব আলোয় জলতে পারেনি। বেরিয়ে আসতে পারেনি পরনির্ভরশীলতার মানসিকতা থেকে সিএসইর কর্তা।
পাঠকের মতামত:
- 'অন্যের কথায়' শেয়ার কেনেন অধিকাংশ খুচরা বিনিয়োগকারী: বিএসইসি চেয়ারম্যান
- বাজার শক্তিশালী হলে বিদেশিরা আগ্রহী হবেন, রোডশোর প্রয়োজন নেই
- মার্জিন বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ডিবিএ
- বিনিয়োগকারীরা ফিরে পেল ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৯৩ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের ১৮ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে
- মার্জিন বিধিমালা এখনও চূড়ান্ত নয়, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান বিএসইসির
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
- অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি, আল-মদিনা ফার্মার শেয়ার তদন্তের নির্দেশ
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে
- শেয়ারবাজারে ৫ কার্যদিবস পর পতন
- লুজারের শীর্ষে উসমানিয়া গ্লাস
- ফরচুন সুজের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- গেইনারের শীর্ষে টেকনো ড্রাগস
- দুই কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ
- ব্লক মার্কেটে ২৮ কোটি টাকার লেনদেন
- মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গঠনে মহেশপুরে সচেতনতামূলক র্যালি
- লেনদেনের শীর্ষ টেকনো ড্রাগস
- বিআইএফসির লোকসান বেড়েছে ৪ শতাংশ
- সেনা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস কমেছে ২ শতাংশ
- উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের পর্ষদে ফেরাতে হাইকোর্টের অনুমতি চাইবে পিপলস লিজিং
- আল-আরাফাহ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফিরল উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে
- গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপেকে টপকে শীর্ষে মেসি
- বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব, নজরে বন্দর ও লজিস্টিকস খাত
- আইপিও অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর দাবি
- আর্জেন্টিনা জেতায় বিয়ে করতে যাচ্ছেন পরীমণি!
- টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা
- লুজারের শীর্ষে জুট স্পিনার্স
- শেয়ারবাজারে টানা ৫ কার্যদিবস উত্থান
- গেইনারের শীর্ষে এসিআই ফর্মূলা
- ব্লক মার্কেটে ৪৭ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ বিএসআরএম স্টিল
- প্রাইম ইসলামী লাইফের ঘাটতি কমেছে, বেড়েছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স তহবিল
- প্রগতি লাইফের নেট প্রিমিয়াম বেড়েছে ২৪%
- এমএল ডাইংয়ের ৬২% দর বৃদ্ধি
- ডেনিম উৎপাদন সক্ষমতা ৬০ মিলিয়ন গজে উন্নীত করেছে এনভয় টেক্সটাইল
- স্বপ্নে ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এসিআই
- ইসলামিক ফাইন্যান্সের লোকসান কমেছে ৯৪ শতাংশ
- গ্রামীণফোনের অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা
- লভ্যাংশ দেবে না পদ্মা লাইফ
- শাইনপুকুর সিরামিকসের কাঁচামাল আমদানিতে এলসি খোলার অনুমোদন
- বন্ধ উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারে অস্বাভাবিক উত্থান, তদন্তে ডিএসই
- স্ক্রিপ নেটিং চালুর অনুমোদন
- রয়্যাল ফুটওয়্যারের কিউআইও অনুমোদন
- লুজারের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
- গেইনারের শীর্ষে আমান ফিড
- ব্লক মার্কেটে ৩০ কোটি টাকার লেনদেন
- দেশ গার্মেন্টসের ৬০% দর বৃদ্ধি
- লেনদেনের শীর্ষ লাভেলো আইসক্রীম
- শেয়ারবাজারে টানা ৪ কার্যদিবস উত্থান
- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ৭৪% দর বৃদ্ধি
- এসকে ট্রিমসের লোকসান কমেছে ৩৮ শতাংশ
- সিএপিএম আইবিবিএল ফান্ডের ৯৬% দর বৃদ্ধি
- এটলাস বাংলাদেশের ৮৮% দর বৃদ্ধি
- লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসায় ৬০ বীমা কোম্পানি, গ্রাহকদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
- লুজারের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
- গেইনারের শীর্ষে দেশ গার্মেন্টস
- ব্লক মার্কেটে ৫২ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ মালেক স্পিনিং
- সূচকে সামান্য উত্থান, লেনদেনে পতন
- মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের এক মাসে ২০% দর বৃদ্ধি
- আমরা নেটওয়ার্কের এক মাসে ১৪% দর বৃদ্ধি
- অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধিতে দুই কোম্পানির লেনদেন স্থগিত
- ফারইস্ট নিটিংয়ের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- বিজিআইসির ইপিএস বেড়েছে ১ পয়সা
- আমরা টেকনোলজিসের আড়াই পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষনা
- তিন ব্যাংকে ১৬২ কোটি টাকার এফডিআর, নথি চাইল দুদক
- পাঁচ ব্যাংকের অনিয়মে ফরেনসিক অডিট চলছে
- পারল না ‘মোয়ানা’
- বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ল ‘মাইকেল’, আয় ছাড়াল ১০০ কোটি ডলার
- লুজারের শীর্ষে এপোলো ইস্পাত
- গেইনারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আধিপত্য
- ব্লক মার্কেটে ৩৬ কোটি টাকার লেনদেন
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ














