আইপিও বন্ধ রেখে অর্থনীতিকে ব্যাংক নির্ভরতা কমানোর গল্প শোনালেন বিএসইসি চেয়ারম্যান
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে কাজ শুরু হলেও ভবিষ্যতে পুরো নিয়ন্ত্রণ পুঁজিবাজারের অধীনে চলে যাবে। দেশেরঅর্থনীতিকে ব্যাংক নির্ভরতা থেকে কীভাবে পুঁজিবাজার নির্ভর করা যায়, সেদিকে আমরা এগিয়ে যাব। অথচ এই মাকসুদ কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর সব আইপিও ফাইল বাতিল করে শিল্পায়নের শেয়ারবাজার থেকে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে। যে দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরে একটি আইপিও দেয়নি।
সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রেকমেন্ডেশনস’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ মাকসুদ বলেন, “ব্যাংক থেকে খুব সহজে যদি কর্পোরেটরা ঋণ পেয়ে যান, তাহলে তারা পুঁজিবাজারে আসতে চাইবেন না। খেলাপী ঋণের আকার বড় হওয়ার কারণ হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী ব্যাংক ঋণ। এখানে বড় ধরনের অসঙ্গতি হওয়ার কারণে আজকের মত খারাপ অবস্থায় চলে গেছে খেলাপি ঋণ।
সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে বন্ড মার্কেটের উন্নয়নে ব্যাংকিং খাত থেকে কর্পোরেট কোম্পানির বড় ঋণ দেওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একটি কোম্পানি বা গ্রুপ কত ঋণ নিতে পারবে তার একটি সীমা রয়েছে, একে বলা হয় একক গ্রাহক ঋণসীমা।
বর্তমানে একক গ্রাহক ঋণ সীমা হচ্ছে কোনো ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি কাউকে এককভাবে ঋণ দিতে পারবে না ব্যাংক। এর মধ্যে ফান্ডেড ঋণ হবে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এবং নন-ফান্ডেড হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।
“বন্ড ইস্যু করতে সময় কমিয়ে আনা, খরচ কমানোর মত উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হয়। কর্পোরেটদের বন্ডমুখী করতে কোনো ধরনের ইনসেনটিভ দেওয়া যায় কি না, বিবেচনা করার সময় হয়েছে। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি ।”
সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রথম অবস্থানে বন্ড, এর পরে পুঁজিবাজার ও তৃতীয় অবস্থানে থাকে মুদ্রা বাজার বা মানি মার্কেট। বাংলাদেশে যে তার উল্টো পরিস্থিতি চলছে, তা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, “এখানে মানি মার্কেট প্রথম অবস্থানে। এখানে একটি বড় পরিবর্তন আনতে হবে। সরকার, ব্যবসায়ীদের মিলে এই পরিবর্তনতা হতে হবে।
“সরকারের ঋণ সবচেয়ে বেশি। সরকারের এই ঋণই বন্ড মার্কেটকে উন্নয়ন ও ভাইব্রান্ট করতে পারবে। তাই বন্ড মার্কেট উন্নয়নে সরকারকে আগে এগিয়ে যেতে হবে।”
এখন বন্ড মার্কেট বড় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমাদের ৫-৬ লাখ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্রের বাজার আছে। এটা সহজে সেকেন্ডারি মার্কেটে (পুঁজিবাজারে) আনা যায়।
“চাইলে সহজেই কেউ বিক্রি করে দিতে পারবে। এটা ট্রেডেবল করা কোনো বিষয় না। এটা করলেই বন্ড মার্কেটের আকার রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে।”
তিনি বলেন, বন্ড মার্কেট বড় করতে হলে বিনিয়োগকারীদের ‘বিশ্বাস’ করাতে হবে যে কোম্পানি যথা সময়ে লাভসহ অর্থ ফেরত দেবে। কোনো কারণে তা দিতে না পারলে কোম্পানিকে খেলাপি হিসেবে ধরা হবে।
“বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করতে হলে সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ব্যাংকে ১৬ শতাংশ সুদ থাকলে বন্ড মার্কেট শক্তিশালী করা কঠিন।”
অর্থনীতিকে পুরো মাত্রায় স্থিতিশীলতায় এনে ৫-৭ বছরের মধ্যে একটি কার্যকর বন্ড মার্কেট গঠন করা সম্ভব বলে মনে করেন আহসান মনসুর।
সেমিনারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, বিএসইসি কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক উজমা চৌধুরী এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন।
পাঠকের মতামত:
- কনফিডেন্স সিমেন্টের ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- লীগ্যাছি ফুটওয়্যারের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ইউসিবির ১১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার কিনতে চান চেয়ারম্যান-সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠান
- সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৪০ শতাংশ
- কোহিনুর কেমিক্যালের ৩২.৫০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- গেইনারের শীর্ষে ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- একদিন পরেই পতনে ফিরল শেয়ারবাজার
- মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নিয়ে চাপের মুখে বিএসইসি
- ব্লক মার্কেটে শত কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
- লাভের দৌড়ে ৯ ব্যাংক, লোকসান আরও বাড়ল রূপালীর
- লোকসানেও লভ্যাংশ দিচ্ছে ছয় কোম্পানি, দিচ্ছে না ১২টি
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৮১ শতাংশ
- মুন্নু অ্যাগ্রোর ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিএটিবিসির মুনাফা কমেছে ২৯ শতাংশ
- এম.এল ডাইংয়ের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- জিবিবি পাওয়ারের ৫ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ওয়াটা কেমিক্যালের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা
- জেনেক্স ইনফোসিসের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ক্যাল ইনভেস্টমেন্টসের দুই বিও হিসাব তদন্তে বিএসইসি
- সুদের ওপর কর্মকর্তাদের ভাগ
- Price Sensitive information of Techno Drugs Ltd.
- এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
- এস্কয়ার নিটের ২০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ফার কেমিক্যালের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ই-জেনারেশনের লভ্যাংশ ঘোষণা
- টেকনো ড্রাগসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- সাফকো স্পিনিংয়ের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- কুইন সাউথের লভ্যাংশ ঘোষণা
- সূচকের উত্থানে বাড়ল লেনদেনও
- গেইনারের শীর্ষে ড্রাগন সোয়েটার
- ব্লক মার্কেটে ১৮ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
- ৩২ কোম্পানির লভ্যাংশে বড় চমক : লোকসানেও দিচ্ছে চারটি
- মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৭৭ শতাংশ
- মুনাফা আকাশচুম্বি, লভ্যাংশ তলানি
- ইফাদ অটোজের ৩০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- বিডিকম অনলাইনের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- এডিএন টেলিকমের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ওরিজা অ্যাগ্রোর আড়াই পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের ১৩% লভ্যাংশ ঘোষনা
- এমজেএল বাংলাদেশের লভ্যাংশ ঘোষনা
- পাঁচ বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে বিএসইসি
- বিডি অটোকারসের লভ্যাংশ ঘোষনা
- বিবিএস কেবলসের লভ্যাংশ ঘোষনা
- লভ্যাংশ দেবে না উসমানিয়া গ্লাস
- লভ্যাংশ দেবে না জাহিন স্পিনিং
- আরগন ডেনিমসের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইভিন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষনা
- লুজারের শীর্ষে মীর আখতার
- গেইনারের শীর্ষে ফারইস্ট নিটিং
- ব্লক মার্কেটে ৯ কোটি টাকার লেনদেন
- ৭ কোটি টাকায় অফিসের জায়গা কিনবে সিটি ইন্স্যুরেন্স
- লেনদেনের শীর্ষে শাহজিবাজার পাওয়ার
- তিন বিনিয়োগকারীকে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা জরিমানা
- লোকসানেও লভ্যাংশ, মুনাফা করে নামমাত্র!
- সিলকো ফার্মার পাঁচ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- রানার অটোর লভ্যাংশ ঘোষণা
- কেঅ্যান্ডকিউ এর ইপিএস ১১.২৫ টাকা, লভ্যাংশ ১ টাকা
- কপারটেকের ৩০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ১৫ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- সিঙ্গার বাংলাদেশের লোকসান বেড়েছে
- মালেক স্পিনিংয়ের মুনাফা আছে, লভ্যাংশ নাই
- মুন্নু ফেব্রিক্সের এক পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- বকেয়া বিমা দাবির দায় সাড়ে চার গুণ, মুনাফা কমেছে ৭৪%
- এডভেন্ট ফার্মার দেড় পয়সা লভ্যাংশ ঘোষনা
- Price Sensitive Information of Mostafa Metal Industries PLC
- ক্রাউন সিমেন্টের মুনাফা ও লভ্যাংশ বেড়েছে
- সোনালি পেপারের মুনাফা ও লভ্যাংশ বেড়েছে
- একমি ল্যাবরেটরিজের লভ্যাংশ ঘোষণা
- কেডিএস এক্সেসরিজের লভ্যাংশ ঘোষণা
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- কনফিডেন্স সিমেন্টের ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- লীগ্যাছি ফুটওয়্যারের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ইউসিবির ১১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার কিনতে চান চেয়ারম্যান-সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠান
- সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৪০ শতাংশ
- কোহিনুর কেমিক্যালের ৩২.৫০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- গেইনারের শীর্ষে ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- একদিন পরেই পতনে ফিরল শেয়ারবাজার
- মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নিয়ে চাপের মুখে বিএসইসি
- ব্লক মার্কেটে শত কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
- লাভের দৌড়ে ৯ ব্যাংক, লোকসান আরও বাড়ল রূপালীর
- লোকসানেও লভ্যাংশ দিচ্ছে ছয় কোম্পানি, দিচ্ছে না ১২টি
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৮১ শতাংশ
- মুন্নু অ্যাগ্রোর ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিএটিবিসির মুনাফা কমেছে ২৯ শতাংশ
- এম.এল ডাইংয়ের ১ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- জিবিবি পাওয়ারের ৫ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ওয়াটা কেমিক্যালের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা
- জেনেক্স ইনফোসিসের ১০ পয়সা লভ্যাংশ ঘোষণা
- ক্যাল ইনভেস্টমেন্টসের দুই বিও হিসাব তদন্তে বিএসইসি
- সুদের ওপর কর্মকর্তাদের ভাগ














