ডিএসইর এক ব্রোকারের থেকেও সিএসইর লেনদেন কম
প্রতিষ্ঠার ৩০ বছরে এসেও ব্যবসায় বেহাল দশা দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই)। এতো দীর্ঘসময়ে স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালনা পর্ষদসহ ম্যানেজমেন্টে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু সিএসইর ব্যবসায় কোন উন্নতি হয়নি। এখনো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শীর্ষ এক ব্রোকারের থেকে সিএসইর মোট লেনদেন কম হয়।
১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করা সিএসইর ব্রোকার সংখ্যা প্রায় আড়াইশ। যেগুলোর মোট লেনদেনের চেয়ে ডিএসইর শীর্ষ ব্রোকার হাউজের লেনদেনের পরিমাণ বেশি। এই অবস্থার কারনে অনেকেই সিএসই প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। তারা মনে করেন এটি ডিএসইর সঙ্গে একীভূতকরন করা উচিত। এতে ব্যয় কমে আসবে। আর সিএসইর শেয়ারহোল্ডাররা লাভবান হবেন।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সিএসইর লেনদেনে কোন উন্নতি না হওয়াসহ কিছু কারনে ডিএসইর সঙ্গে একীভূতকরন নিয়ে মৌখিকভাবে কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। তবে ডিএসই অনেক বেশি সস্তায় সিএসইর সঙ্গে একীভূতকরন হতে চায়। তারা ডিএসইর ১০টি শেয়ারের বিপরীতে ১টি শেয়ার দিতে চায়। তবে সিএসই ২টি শেয়ারের বিপরীতে ১টি চায়। এ নিয়ে বনিবনা না হওয়ায়, এখনো সেদিকে যায়নি।
শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বিজনেস আওয়ারকে বলেন, পাশাপাশি বা একাধিক স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে যেখানে লেনদেন বেশি, বিনিযোগকারী বেশি, সেখানে অন্যরাও সেদিকে চলে যায়। যেমনটি ডিএসইর ক্ষেত্রে হয়। আবার ডিএসইর শাখা চিটাগাংয়েও আছে। সিএসইতে গুটি কয়েক ব্রোকারেজ হাউজের মালিকেরা ছাড়া কেউ লেনদেনই করে না। এটা একীভূতকরন হয়ে যেতে পারত। ডিএসই করে নাই। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকও একীভূতকরনের জন্য বলেছিল।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন দুইটা স্টক এক্সচেঞ্জ দরকার নাই। যখন কাগজে শেয়ার ছিল, তখন লোকাল স্টক এক্সচেঞ্জ দরকার ছিল। এখন যেহেতু ডিমিউচ্যুয়ালাইজড হয়ে গেছে ও কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়, তাই আর দরকার নাই। কিন্তু ডিএসই করে নাই। এছাড়া প্রত্যেকের মধ্যে মনস্তাত্তিক সমস্যা আছে। ওখানে (সিএসই) কিছু বোর্ডের লোকজন আছে, তারা বোর্ড মিটিং ফি পাচ্ছে। এছাড়া হোটেল আগ্রাবাদে থাকা যায়, প্লেনের ভাড়া পাওয়া যায়। একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ৫-৭ লাখ টাকা পাচ্ছে। একীভুতকরনে এগুলোতো বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তাদেরও একটা অংশ একীভূতকরন চায় না।
ডিএসইর এক ব্রোকারেজ হাউজ থেকে সিএসইর মোট লেনদেন কম হওয়ার ঘটনা দীর্ঘদিনের। যা এখনো হচ্ছে। সম্প্রতি ৬ কার্যদিবসের লেনদেনে দেখা গেছে, ৬ কার্যদিবসের মধ্যে ৫ কার্যদিবসেই সিএসইর থেকে ডিএসইর শীর্ষ এক ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন বেশি হয়েছে। বাকি ১ কার্যদিবস ব্লকে অস্বাভাবিক লেনদেন হওয়ায় সিএসই এগিয়ে ছিল।
এ বিষয়ে সিএসইর এক কর্মকর্তা অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, সিএসই ও ডিএসইর মধ্যে লেনদেনে পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু সিএসই আর্থিকভাবে পিছিয়ে নেই। বরং সিএসইর আর্থিক অবস্থা ডিএসইর থেকে অনেক ভালো। এছাড়া সুযোগ সুবিধা বা সক্ষমতায় কোন কোন ক্ষেত্রে সিএসই এগিয়ে রয়েছে ডিএসই থেকে। তাই একীভূতকরনের প্রশ্ন আসবে কেনো। এ নিয়ে কখনো আলোচনা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আমি আসার আগে কখনো এ নিয়ে আলোচনা হলেও হতে পারে।
তিনি বলেন, লেনদেনের এই অবস্থা ঐতিহাসিকভাবে হয়ে আসছে। এটা রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। এজন্য নীতিগত সহযোগিতা লাগবে, রেগুলেটরের সহযোগিতা লাগবে। আর আমাদের যা কাজ করার, তা আমরা করতেছি। ডিএসইর এক কর্মকর্তা অর্থ বাণিজ্যকে বলেন, আমরা সিএসইকে আমাদের একটি ব্রোকারেজ হাউজের থেকে বেশি কিছু মনে করি না। ওটার এগিয়ে যাওয়া বা উন্নতি করার মতো আপাত দৃষ্টিতে কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। ওটার চেয়ে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ ও ব্র্যাক ইপিএলের ব্যবসা ভালো। এই অবস্থায় সিএসইর সঙ্গে ডিএসই একীভূতকরনে রাজি হবে বলেও মনে হয় না।
সম্প্রতি ৬ কার্যদিবসে ডিএসইর শীর্ষ ব্রোকারগুলোতে ১৪১ কোটি ৫০ লাখ টাকার লেনদেন হয়। যার পরিমাণ সিএসইতে ছিল ১০১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ সিএসইতে ডিএসইর এক ব্রোকারের থেকেও ৩৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা বা ২৮ শতাংশ কম লেনদেন হয়েছে।
লেনদেনটা শুধু স্টক এক্সচেঞ্জের উপর নির্ভর করে না জানিয়ে সিএসইর ওই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে আমরা বিএসইসির সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনা করেছি। লেনদেন বাড়ানোর জন্য করনীয় নিয়ে কমিশনে প্রস্তাব দিয়েছি। তারা আমাদের প্রস্তাব বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। যা বাস্তবায়নে লেনদেন অনেকাংশে বাড়বে বলে মনে করছি।
পাঠকের মতামত:
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে নতুন পর্ষদ, আগামী সপ্তাহে বিদায় নিচ্ছেন প্রশাসকরা
- ‘সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়’—হাসতে হাসতেই পরীমনির খোঁচা
- স্টার অ্যাডহেসিভের শেয়ারদর কারসাজি, এফএ ট্রেডিংকে জরিমানা
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে
- লুজারের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
- শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে নতুন নিয়ম
- গেইনারের শীর্ষে বেক্সিমকো
- ব্লক মার্কেটে ৪৮ কোটি টাকার লেনদেন
- এবার সূচকে উত্থান, লেনদেনে পতন
- লেনদেনের শীর্ষ সায়হাম টেক্সটাইল
- ৮৩ শতাংশ বিমা কোম্পানির মুনাফায় উত্থান
- পূবালি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১৮ শতাংশ
- এমটিবির মুনাফা কমেছে ৭ শতাংশ
- ওয়ান ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৮ শতাংশ
- ম্যারিকোর অন্তর্বর্তীকালীন ৫০০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৩১৮ শতাংশ
- রেসের ৪ ফান্ডের সম্পদ নিরাপদ : কাস্টডিয়ান
- চার্টার্ড লাইফের উদ্বৃত্ত কমেছে ৫৬ শতাংশ
- এবি ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১০ শতাংশ
- আইএফআইসি ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ৪৮ শতাংশ
- রেকিট বেনকিজারের প্রথমার্ধে ইপিএস ৬২.১৬ টাকা
- লাফার্জহোলসিমের মুনাফা কমেছে ১৯ কোটি টাকা
- এনআরবিসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৬৩ শতাংশ
- বড় লোকসানে ইসলামী ব্যাংক
- এসবিএসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ২১ শতাংশ
- ব্র্যাক ইপিএলের গ্রাহকের সন্দেহজনক লেনদেন
- এসএমই উদ্যোক্তাদের শেয়ারবাজারে আসতে বিএসইসি-এসএমই ফাউন্ডেশনের যৌথ প্রশিক্ষণ
- বাবার পদবি বাদ দিলেন টম ক্রুজের মেয়ে
- সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মেঘলা মুক্তা, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন
- ন্যাশনাল হাউজিংয়ের মুনাফা বেড়েছে ৫ শতাংশ
- লুজারের শীর্ষে বেক্সিমকো
- গেইনারের শীর্ষে ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স
- সূচকে পতনে, লেনদেনে উত্থান
- ব্লক মার্কেটে ৪১ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ আর্গন ডেনিমস
- ১০০ শতাংশ বিমা কোম্পানির মুনাফায় উত্থান
- এনসিসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১২ শতাংশ
- ইউনিলিভারের মুনাফায় ধস
- রবি আজিয়াটার মুনাফা বেড়েছে ৩০ শতাংশ
- উত্তরা ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৫৩ শতাংশ
- ক্যাপিটেক গ্রোথ ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা
- স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস কমেছে ৯১ শতাংশ
- ব্র্যাক ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ
- মুনাফায় ফিরেছে এনআরবি ব্যাংক
- এসিআই গঠন করছে নতুন সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান
- আইপিডিসির মুনাফা বেড়েছে ৩৭ শতাংশ
- আইডিএলসি ফাইন্যান্সের অর্ধবার্ষিকে ২৮ কোটি টাকার মুনাফা বেড়েছে
- আইসিবি ইসলামীক ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ৭১ শতাংশ
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১৪৭ শতাংশ
- ইউসিবির মুনাফা বেড়েছে ৮৩ শতাংশ
- Price Sensitive information of United Commercial Bank PLC
- তিন মাসে নিট মুনাফা বেড়েছে ৯৫ কোটি টাকা
- লুজারের শীর্ষে এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- গেইনারের শীর্ষে আর্গন ডেনিমস
- স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস বেড়েছে ২ পয়সা
- মঙ্গলবারও শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
- ডিএসইকে তলব বিএসইসির
- ব্লক মার্কেটে ৬৫ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষ ডমিনেজ
- ভিআইপিবির দুই ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা
- বিএসইসির নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত
- মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৩১ শতাংশ
- এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৬৫ শতাংশ
- কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৩১ শতাংশ
- বাটা সু’র মুনাফা বেড়েছে ৮৬ শতাংশ
- ন্যাশনাল ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৩২ শতাংশ
- ফাস ফাইন্যান্সের লোকসান বেড়েছে ৬ শতাংশ
- বে- লিজিংয়ের লোকসান কমেছে ৪৭ শতাংশ
- ইস্টার্ন ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ২৫ শতাংশ
- সিটি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৭৫ শতাংশ
- লিন্ডে বাংলাদেশের মুনাফা বেড়েছে ৪ শতাংশ
- কেয়া কসমেটিকসের সংকটের অনুসন্ধানে ৪ সংস্থা
- ঋণসংকটে পোশাক খাত, বাড়ছে উদ্যোক্তাদের চাপ
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- স্টার অ্যাডহেসিভের শেয়ারদর কারসাজি, এফএ ট্রেডিংকে জরিমানা
- সাপ্তাহিক লুজারের শীর্ষে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও বেড়েছে














