ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রথম পিরিয়ডে মনে হয়েছিল মৃত্যু নিশ্চিত

২০২৬ জুলাই ১৯ ০৯:০৫:৩৬
প্রথম পিরিয়ডে মনে হয়েছিল মৃত্যু নিশ্চিত

বিনোদন ডেস্ক : প্রথম ঋতুস্রাবের অভিজ্ঞতা আজও ভুলতে পারেননি পাঞ্জাবি গায়িকা জ্যাসমিন স্যান্ডলাস। শরীর থেকে প্রথমবার রক্তপাত শুরু হওয়ার পর তিনি এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন যে, নিজের ক্যান্সার হয়েছে এবং আর বাঁচবেন না—এমনটাই মনে করেছিলেন।

সম্প্রতি এক অনলাইন অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে শৈশবের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন জ্যাসমিন। তিনি জানান, ছোটবেলায় পরিবারে ঋতুস্রাব নিয়ে কখনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি। ফলে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর আগে এ বিষয়ে তার কোনো ধারণাই ছিল না।

জ্যাসমিন বলেন, তখন তিনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়তেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বসবাস করতেন। হঠাৎ একদিন শরীর থেকে রক্তপাত শুরু হলে তিনি ভয়ে স্তব্ধ হয়ে যান। তার মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যাবেন। এমনকি বিষয়টি নিজের মাকেও কীভাবে জানাবেন, সেটিও বুঝে উঠতে পারেননি।

তিনি জানান, পরে স্কুলে গিয়ে ঋতুস্রাব সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পেলেও প্রথম অভিজ্ঞতার সেই মানসিক ধাক্কা আজও তার মনে গেঁথে আছে।

সমাজে ঋতুস্রাব নিয়ে প্রচলিত সংকোচ ও নীরবতার সমালোচনা করে জ্যাসমিন বলেন, ঋতুস্রাব একটি মেয়ের জীবনের স্বাভাবিক ও সুন্দর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। কিন্তু এ বিষয়ে আগে থেকে কোনো ধারণা না থাকলে একটি শিশুর কাছে এটি ভয়ংকর অভিজ্ঞতায় পরিণত হতে পারে।

বর্তমান প্রজন্মের অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কন্যাসন্তানের বয়স ১০ থেকে ১১ বছর হওয়ার আগেই তাদের সঙ্গে সহজ ও স্বাভাবিকভাবে ঋতুস্রাব বিষয়ে কথা বলা উচিত। সচেতনতা এবং খোলামেলা আলোচনা শিশুদের অপ্রয়োজনীয় ভয় ও বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধুরন্ধর’ চলচ্চিত্রের একটি গানে কণ্ঠ দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জ্যাসমিন স্যান্ডলাস। এর আগে দিল্লিতে এক লাইভ কনসার্টে নিজের হবু স্বামী শেখর চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টিও প্রকাশ্যে আনেন তিনি।

পাঠকের মতামত:

বিনোদন এর সর্বশেষ খবর

বিনোদন - এর সব খবর



রে
Close
Facebook Facebook-এ ফলো করুন