এবার খালেকের ফারইস্ট স্টকস নিয়ে তদন্তে নামছে বিএসইসি
অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : অর্থপাচারের মামলায় অভিযুক্ত এমএ খালেকের একসময়ের মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ লক্ষ্যে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটিকে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ঘাটতি, অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম ও কারসাজি ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখে আগামী ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিএসইসির নির্দেশনায় ৯টি বিষয়ে অনুসন্ধানের কথা বলা হয়েছে। এগুলো হলো- সব গ্রাহক হিসাবের নগদ অর্থ ও সিকিউরিটিজের তথ্য, সমন্বিত গ্রাহক হিসাবের টাকার পরিমাণ, সিডিবিএলের কাছে রক্ষিত সব গ্রাহকের শেয়ারের বিবরণী, প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন, নেগেটিভ ইক্যুইটির পরিমাণ এবং সেটি কতজন গ্রাহকের, পরিচালনা ও পর্ষদ পরিচালকদের তথ্য, ঋণ ও কর, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো পেন্ডিং অ্যাকশন বা পূর্বে কোনো অ্যাকশন নেওয়া হয়েছিল কি না, প্রতিষ্ঠানটি টেকসই কিনা সে বিষয়ে মতামত এবং আর কোনও বিষয় রয়েছে কি না, সেগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মোল্লাহ মো. মিরাজ-উস-সুন্নাহ, উপ-পরিচালক সুলতান সালাহ উদ্দিন, সিডিবিএল’র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মুজাফফর মাহমুদ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মনোনীত একজন অফিসারকে এ বিষয়ে তদন্ত পরিচালনার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, কমিশন মনে করে যে, শেয়ারবাজার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেডের উল্লেখিত বিষয়ে অনুসন্ধান পরিচালনা করার প্রয়োজন। তাই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্সে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কমিশন ওই বিষয়গুলোর ওপর অনুসন্ধানের জন্য ওই ৪ জনকে নির্দেশ দিচ্ছে।
২০১৮ সালের জুন শেষে ১৮টি ব্রোকারেজ হাউসের সমন্বিত গ্রাহক হিসাবের অর্থ আইন বহির্ভূতভাবে ব্যবহারের তথ্য পায় ডিএসই। এতে ফারইস্টের ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা ঘাটতি ছিল। ঘাটতি পূরণের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফের অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করে ফারইস্ট স্টকস। সে সময় ৫ মাসের সময় পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন এম এ খালেক। তিনি ছিলেন উদ্যোক্তা। খালেক গড়ে তুলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক, বিমা, সিকিউরিটিজ কোম্পানিসহ অনেক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পদে ছিলেন তিনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১০ সাল থেকে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা বের করে নেওয়া শুরু করেন। এরপর ৮ বছরে হাতিয়ে নেন ১ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।
এরপর ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের এক মামলায় এম এ খালেকের ঢাকার বারিধারার সেই ১৫০ কোটি টাকার বাড়িতে আদালতের জব্দ আদেশ ঝুলিয়ে দেয় সিআইডি। সে সময় তার বিরুদ্ধে ৫১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সিআইডি অনুসন্ধান করছিল বলে জানা যায়।
এরপর ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল ১১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে খালেকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে সিআইডি। ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এমএ খালেক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে থেকে নিজে এবং আত্মীয়স্বজনসহ সহযোগীরা মিলে প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই টাকা সম্পদে রূপান্তর ও বিদেশে পাচার করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রতিষ্ঠানের সাবেক সিইও তরফদার জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক সিএফও জাহিদুল হক, এমএ খালেকের স্ত্রী সাবিহা খালেক, ছেলে শাহরিয়ার খালেদ রুশো, মেয়ে শারওয়াত খালেদ, জামাতা তানভিরুল হক ও শ্বশুর ফজলুল হক এবং আবুল কাশেম মোল্লা, রাশেদ মোহাম্মদ মাজহারুল, খশরুবা সুলতানা শিল্পী, শেখ ইউসুফ আলী, মাহবুবা সুলতানা, দিলরুবা সুলতানা, নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মোস্তফা ও কাজী শাহরিয়ার। সিআইডি মামলাটির তদন্ত করবে। আসামিদের মধ্যে সেই সময় এমএ খালেক ও নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেডে বিভিন্ন বিনিয়োগকারী ৮৯ কোটি ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯৭ টাকার চেক বা নগদ টাকা জমা দেন। বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে ওই টাকা দেখানো হলেও কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে তা জমা হয়নি। অর্থাৎ ভুয়া জমা দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন সময়ে মোট ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকার চেক জমা করেন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে (অপর্যাপ্ত জের, স্বাক্ষরে গরমিল, টাকার অঙ্ক ভুল লেখা ইত্যাদি) চেকগুলো ডিজঅনার হয়, যা রিভারসাল এন্ট্রি (জমা) দেখানো হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে কোম্পানির হিসাবের যোগফলে ২২ কোটি ৮৬ লাখ ৪১ হাজার ১২৫ টাকার স্থলে ৩৬ কোটি ৩৬ লাখ ৪১ হাজার ১২৫ টাকা বসিয়ে তথ্যের গরমিল করে ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পাঠকের মতামত:
- সাপ্তাহিক গেইনারের শীর্ষে এনভয় টেক্সটাইল
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছে
- বাংলাদেশে মর্টগেজ রিফাইন্যান্স কোম্পানি আসছে
- ইংল্যান্ডে ফেরা নিয়ে বড় আভাস দিলেন হ্যারি কেইন
- রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের নাম পরিবর্তন
- এবি ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ
- লুজারের শীর্ষে জিবিবি পাওয়ার
- শেয়ারবাজারে ছয় কার্যদিবস পর উত্থান
- গেইনারের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- ব্লক মার্কেটে ৪১ কোটি টাকার লেনদেন
- আজও লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- রবিবার লেনদেনে ফিরবে ২ কোম্পানি
- রবিবার প্রিমিয়ার লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধ
- উত্তরা ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
- মিথুন নিটিংয়ের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস বেড়েছে ৪৪৪ শতাংশ
- রবির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন, বাড়ল সময়
- এআই শেয়ারে ধস, এক দিনেই উধাও ৩.৩৫ লাখ কোটি
- ‘আমার শোয়ার ঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না’
- ‘ক্যামেরার দিকে সালমান তাকালেই ম্যাজিক ঘটে’
- সংকটে বুক বিল্ডিংয়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করা এস্কয়ার নিট
- স্থগিত হিসাবের সঙ্গে যুক্ত অন্য হিসাবের তথ্যও চায় বিএফআইইউ
- এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩২ লাখ ডলারের এলসি অনুমোদন
- দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া, বললেন ক্যারি
- ডারউইন জয়ের পর র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের
- শেয়ারবাজারে টানা ৬ কার্যদিবস পতন
- আজও লুজারের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- গেইনারের শীর্ষে রিলায়েন্স ওয়ান
- ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করল বাংলাদেশ ব্যাংক
- ২০ শাখাকে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের অনুমোদন পেল এনসিসি ব্যাংক
- সিএপিএম বিডিবিএল ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- এসইএমএল আইবিবিএল শরীয়াহ ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- লোকসান ৬ হাজার কোটি : খাতায় কৃত্রিম মুনাফা
- শাহরুখের ‘মান্নাত’-এ দুই সাপ, একটি উদ্ধার
- ‘বিজেপির আইটি সেল টাকা দিয়ে আমার মেয়েকে ট্রোল করে’: শত্রুঘ্ন
- বদলাচ্ছে অর্থবছর, বাড়তে পারে উন্নয়নকাজের গতি
- ৩০ বছরের চুক্তিতে খুলছে দুই বন্ধ টেক্সটাইল মিল
- স্বতন্ত্র পরিচালকদের প্যানেল গঠনে বিএসইসির ১০ সদস্যের কমিটি
- বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক অবসর, পাঁচজনের বেতন অবনমন
- শেষ দিনে ভারতের চাই ৬ উইকেট, শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ২৮৮ রান
- ফারুক কেন ছিলেন অন্যদের চেয়ে আলাদা
- সেনা ইন্স্যুরেন্সের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
- শেয়ারবাজারে টানা ৫ কার্যদিবস পতন
- লুজারের শীর্ষে শার্প ইন্ড্রাস্ট্রিজ
- গেইনারের শীর্ষে এনভয় টেক্সটাইল
- ব্লক মার্কেটে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন
- লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ
- ন্যাশনাল হাউজিংয়ের শেয়ার বেচবে ইউসিবি
- বিয়ে নিয়ে গুজব, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পূজা চেরির
- সমুদ্রতটে অপুর স্টাইলিশ লুক, নজর কাড়ল কালো পোশাক
- এ বছরেই বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন
- ৭৮ কোটি টাকা খরচের পর বাতিল হচ্ছে জাইকার ঋণের বিদ্যুৎ প্রকল্প
- কারসাজিতে শুধু জরিমানা নয়, হবে ফৌজদারি মামলা
- মুনাফার আড়ালে সংকটে ইবিএল
- সিরিজ জিততে এসেছি
- মামলা প্রত্যাহারেই মিলবে নীতি সহায়তা
- সিএপিএম বিডিবিএল ফান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ ৭ অক্টোবর
- মার্জিন ঋণে নতুন সীমা নির্ধারণ
- ব্লক মার্কেটে ২৬ কোটি টাকার লেনদেন
- লুজারে পঁচা শেয়ারের আধিপত্য
- শেয়ারবাজারে টানা ৪ কার্যদিবস পতন
- সোনালি ব্যাংক ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- অগ্রণী ব্যাংক ফান্ডের ৪% লভ্যাংশ ঘোষণা
- এসইএমএল গ্রোথ ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের ১০% লভ্যাংশ ঘোষণা
- প্রাইম ব্যাংক ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- আইসিবি এনআরবি ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- আইসিবি এএমসিএল ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- আইএফআইএল ইসলামিক ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- আইসিবি এমপ্লয়ীজ ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট ফান্ডের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- হাজী আহমেদকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা
- পাঁচ ব্যাংকে বিনিয়োগকারীরা নিঃশ্ব, চেয়ে চেয়ে দেখল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- লজ্জার ইতিহাস গড়ল মাকসুদের ‘শাস্তি কমিশন’
- আড়ালে বিএসইসির চেয়ারম্যান-কমিশনারদের সমালোচনা : সামনে ভূয়সী প্রশংসা
- আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের উচ্চ দরে ইস্যু আনা : এখন বেহাল দশা
- বড় মূলধনী-গেম্বলিং ৩৫ কোম্পানি ছাড়া ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- কমিশনের বিদায় বেলায় মূল্যসূচক নামল ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে
- এনআরবিসি ব্যাংক লুটেরাদের সহযোগী ছিলেন রাশেদ মাকসুদ : তদন্তে দুদক
- বিএসইসিকে পরাধীন করার পাঁয়তারা : হারাতে পারে আইওএসকো’র সদস্যপদ
- চালু আছে ৯৩% কোম্পানি, লভ্যাংশ দিচ্ছে ৭৮%
- আরও ২৩ কোম্পানির উপর থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- ৯ মাসের ব্যবসায় ৫১ শতাংশ ব্যাংকের ইপিএস বেড়েছে
- বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে
- এবার ডিএসইর পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হেলাল : রয়েছে ষড়*যন্ত্রকারী নাহিদ
- বেক্সিমকোসহ সব কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার
- দেখে নিন ২০ কোম্পানির লভ্যাংশ














