ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্যতিক্রম শেয়ারবাজারের স্বাক্ষী হলো বিনিয়োগকারীরা

২০২৬ এপ্রিল ২৩ ১৪:৪৪:১১
ব্যতিক্রম শেয়ারবাজারের স্বাক্ষী হলো বিনিয়োগকারীরা

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যে খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ে আশার সঞ্চার তৈরী হয়েছে। যাতে বুধবার (২২ এপ্রিল) শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে। এরপরের দিন একইকারনে পতন দেখেনি শেয়ারবাজার। এদিন এক ভিন্ন শেয়ারবাজারের স্বাক্ষী হয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

জানা গেছে, চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখার অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন শেয়ারবাজারের খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। তাকে সরানোর চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে তাকে এ পদ থেকে সরানোর আগে কমিশন আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হবে। এরইমধ্যে আইন পরিবর্তনের কার্যক্রম শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত ১৮ মাস ধরে শেয়ারবাজারের উন্নয়নের নামে বিভিন্ন সংস্কার করছে খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তবে তারা যতই সংস্কার করছে, ততই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে করে বর্তমান কমিশনের সংস্কার এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপসংস্কার হিসেবে ধরা দিয়েছে। যে কমিশন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কিছু করতে না পারলেও শুরু থেকে বিভিন্ন জনকে শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে বিএসইসিকে ‘শাস্তি কমিশন’ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।

শেয়ারবাজারের স্বার্থে বিনিয়োগকারীরা অনেক আগে থেকেই মাকসুদের অপসারণ চান। যার অপসারণেই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে বিশ্বাস বিনিয়োগকারীদের। কারন মাকসুদ শেয়ারবাজার বুঝেন না। এটা শুধু সাধারন বিনিয়োগকারীদের কথা না। এই কথা এখন বিএসইসির সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যানসহ স্টেকহোল্ডারদের। তাই মাকসুদের অপসারন করা উচিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এক ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে। যা খুবই বিরল ঘটনা। এদিন ডিএসইর মূল্যসূচক ডিএসইএক্সে কোন পরিবর্তন ঘটেনি। এর মাধ্যমে সূচকটি আগেরদিনের ৫২৯৯ পয়েন্টেই রয়েছে। যা আগেরদিন বেড়েছিল ৪১ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে ৮৮৪ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগেরদিন হয়েছিল ১ হাজার ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকার। এ হিসেবে লেনদেন কমেছে ১৭১ কোটি ৭৪ লাখ টাকার বা ১৬ শতাংশ।

আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯৫ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১৩৮ টি বা ৩৪.৯৪ শতাংশের। আর দর কমেছে ১৯৯ টি বা ৫০.৩৮ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ৫৮ টি বা ১৪.৬৮ শতাংশের।

অপরদিকে সিএসইতে বৃহস্পতিবার ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ৭৪ টির, কমেছে ১০৩ টির এবং পরিবর্তন হয়নি ৩৯ টির। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৩২ পয়েন্টে।

আগেরদিন সিএসইতে ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ৬০ পয়েন্ট বেড়েছিল।

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে